কারখানায় ইবাদতখানা, অভ্যর্থনা, অতিথি-আবাস ও পানীয় জলের ব্যবস্থা রাখতে হবে উত্তর-পূর্ব দিকে। কর্মী ও শ্রমিকদের শৌচাগার ও গোসলখানা থাকবে কারখানা বাড়ির দক্ষিণ বা পশ্চিম দিকে। কর্মচারী ও শ্রমিকদের ক্যান্টিন থাকবে কারখানার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে। বিভিন্ন দফতরের স্থান নীচে ছবির মাধ্যমে দেখানো হল।
চিত্রঃ
নিরাপত্তা রক্ষীদের অফিস প্রবেশ দ্বারের উপর নির্ভর করে। যদি কারখানার উত্তর-পূর্বের পূর্ব দিকে প্রধান দরজা তৈরি করা হয় তা হলে তার দক্ষিণ দিকে নিরাপত্তা বাহিনীর ঘর হবে। যদি প্রবেশদ্বার উত্তর-পূর্বের উত্তর দিকে হয় তা হলে নিরাপত্তা বাহিণীর ঘর উত্তর-পূর্বের পশ্চিম দিকে করা উচিত। নীচের ছবির মাধ্যমে বিকল্পসহ দেখানো হল।
চিত্রঃ
কারখানার মেশিনপত্র বসাবার সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে সবচেয়ে ভারী মেশিনপত্র দক্ষিণ বা পশ্চিম দিকে বসে। কাঁচামাল রাখার জায়গা কারখানার ভিতরের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে হওয়া উচিত। উৎপাদনে নিয়োজিত কাঁচামাল এবং প্রায় সম্পূর্ণ মাল রাখার জায়গা কারখানার ভিতরের পশ্চিমাঞ্চলে হওয়া উচিত। তৈরি মাল এবং সরবরাহ করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত মাল কারখানার উত্তর-পশ্চিম দিকে রাখা উচিত।
চিত্রঃ
একটি আদর্শ কারখানার নমুনা
চিত্রঃ
|
| |
| ১। |
প্রধান দরজা, ছোট অথবা সহায়ক যন্ত্রপাতি, কর্মচারীদের থাকার বাসস্থান, ওজন যন্ত্র, পণ্য বিক্রির অফিস, ক্যাশ বা হিসাব পরীক্ষকের অফিস। |
| ২। |
দরজা, প্রশাসনিক অফিস, টিউবওয়েল, ভূগর্ভস্থ জলাধার, মসজিদ, অতিথিশালা, অভ্যর্থনা গৃহ, উম্মুক্ত বাগান, চিকিৎসালয়। |
| ৩। |
প্রধান দরজা, ছোট সহায়ক যন্ত্রপাতি, কারখানার অফিস, সময় নিয়ন্ত্রণ অফিস। |
| ৪। |
ফার্নেস, বয়লার, চিমনি, জেনারেটর, বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন, গাড়ি রাখার জায়গা, ক্যান্টিন, বড় গুদাম, অগ্নি সঞ্চালিত ওয়ার্কশপ, অ্যাসিড ট্যাঙ্ক। |
| ৫। |
ভারী যন্ত্রপাতি, ওজন যন্ত্র, শৌচাগার বা স্নানাগার, কর্তার অফিস। |
| ৬। |
ষ্টোর ও গুদাম, ভারী যন্ত্রপাতি ও সাজসরঞ্জাম, পরিত্যক্ত লোহা-লক্কড় রাখার স্থান। |
| ৭। |
কারখানার কাঁচামাল ও ভারী ওজন যন্ত্র। |
| ৮। |
কারখানার অফিস, মালপত্র রাখার গুদাম, হালকা যন্ত্রপাতি, সেলস্ অফিস। |
| ৯। |
খালি জায়গা বা বাগান। কোনও ভারী যন্ত্রপাতি যেন এখানে বসানো না হয়। |
|
| |
| |
| |
| |
| |
| |
|