আমি কিভাবে সেবা প্রদান করি
 
“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”
 
সর্ব্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্ত্তার বিশেষ রহমতে রাজেশ্বরী জ্যোতিষালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্ত্তৃক নিবন্ধিত হলো যার নাম “রাজেশ্বরী কনসাল্টেশন লিমিটেড”।

রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার- ৬৬৯৫৩(৪৪৪৫)

সরকার যে সময় দেশ থেকে অন্যায়, অবিচার, অত্যাচার, প্রতারক, অপরাধ দমনের চেষ্টা করছেন ঠিক সেই সময়েই আমাদের প্রতিষ্ঠানে বহুপ্রকার তদন্ত কাজ সপন্ন করে যথা সময়ে আমাদের প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগে সংপৃক্ত সকলকে রাজেশ্বরী কনসাল্টেশন লিমিটেডের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি এবং সর্ব্বশক্তিমান মঙ্গঁলময় তাঁদের মঙ্গঁল করুন এই প্রার্থনা করি।

রাজেশ্বরী কনসাল্টেশন লিমিটেডের চেয়ারপার্সন হচ্ছেন মিসেস সাহারা বানু এম. এ. (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) বি. এ. এষ্ট্রোলজী, বি.এ, বাস্তুশাস্ত্র চেয়ারপার্সনের জ্যোতিষ ও বাস্তুশাস্ত্রের দুটি ডিগ্রী আর্ন্তজাতিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত যিনি মেধা তালিকায় স্বর্ণ ও রোপ্য পদক অর্জন করেছেন।

রাজেশ্বরী কনসাল্টেশন লিমিটেডের প্রধান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান গণক, ব্যবস্থাপক ড. হাসান কবির যিনি জ্যোতিষ শাস্ত্রের উপর এম. ফিল ও বাস্তুশাস্ত্রের উপর এম. ফিল ডিগ্রী অর্জন করেছেন ভারতের কেন্দ্র সরকার, পশ্চিম বঙ্গ সরকার ও মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (ভারত সরকার) কর্ত্তৃক নিবন্ধনকৃত বিশ্বজ্যোতিষ বিদ্যাপীঠ থেকে এবং শিক্ষা জীবনে তিনি কৃতিত্বের সহিত পাশ করাতে স্বর্ণ ও রোপ্য পদক পেয়েছেন।

ড. হাসান কবির উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক জ্যোতিষ, বাস্তু, তন্ত্রশাস্ত্রের যথার্থ সঠিক প্রয়োগ এবং অভ্রান্ত কোষ্ঠী লিখা বাস্তু বিচার,হস্তকররেখা বিচার, মানবের বিভিন্ন ন্যায় সঙ্গত সমস্যা সমাধানের জন্য (নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে) ভারতের দ্বিতীয় সর্ব্বোচ্চ সম্মান সূচক পুরস্কার “জ্যোতিষ পদ্মশ্রী” তে ভূষিত করেছেন, ইতিপূর্বে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক তাঁকে “জ্যোতিষ পদ্মভূষণ” ও বিদ্যাসাগর উপাধিও প্রদান করেছেন।

ড. হাসান কবির এর জ্যোতিষ ও বাস্তুশাস্ত্রগত গণনায় অভিভূত হয়ে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব এ্যাষ্ট্রোলজী সংগঠন তাঁকে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় (ভারত) এ জ্যোতিষী পেশার সর্ব্বোচ্চ উপাধি “রাজ জাতক” উপাধিতে ভূষিত করেছেন- তাই পেশাগত ক্ষেত্রে তিনি রাজ জাতক ড. হাসান কবির নামে পরিচিত। এতদ্‌ভিন্ন তিনি আন্তর্জাতিক বহু সংগঠনের সঙ্গে জড়িত যাহা আপনারা ওয়েব সাইটের এবাউট মি তে দেখতে পাবেন।

রাজ জাতক ড. হাসান কবির বাস্তুশাস্ত্রের উপর ইটালির নিউ এইজ আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ. ডি ডিগ্রী অর্জন করেছেন। তাঁর থিসিসের বিষয় ছিল কসমোলজী (সৃষ্টিতত্ত্ব) ও বাস্তু এ্যাপলিকেশন (বাস্তুশাস্ত্রের যথার্থ প্রয়োগ)। প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ করতে হচ্ছে যে তিনিই ১৫ কোটি বাংলাদেশী নাগরিকের মধ্যে একমাত্র বাস্তুবিদ যিনি সর্বপ্রথম উল্লেখিত পিএইচ. ডি. ডিগ্রী ইউরোপের কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জন করেছেন। ড. হাসান কবির সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।

জ্যোতিষ শাস্ত্র পড়ার সময় মেডিকেল এষ্ট্রোলজী পড়তে হয় এবং তিনি পড়েছেনও বটে ফলশ্রুতিতে তিনি জ্যোতিষ শাস্ত্রের মেডিকেল এষ্ট্রোলজি ব্যতীতও ইন্ডিয়ান বোর্ড অব অলটারনেটিভ মেডিসিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. ডি. (এ. এম.) ও পিএইচ. ডি. (এ. এম) ডিগ্রী অর্জন করে ঔষধ পথ্য বিহীন মানবের বিভিন্ন প্রকার রোগের উপশমের জন্য দীর্ঘদিন যাবৎ পরামর্শ দিয়ে আসছেন এবং বহু নর-নারী আজ রোগ মুক্ত অবস্থায় বসবাস করছেন।

আমরা যে সকল শান্তি স্বস্ত্যয়ন ক্রীয়া কর্মের মাধ্যমে মানুষের সমস্যার সমাধান করতে পারব বলে অনুমিত হয় শুধু মাত্র ঐ সকল ক্রীয়া কর্ম করে থাকি, অন্যথায় আমরা সরাসরি বলে দেই যে এই সকল সমস্যা সমাধান আমাদের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্ভব নয়। অর্থাৎ জ্যোতিষশাস্ত্র, বাস্তুশাস্ত্র ও তন্ত্রশাস্ত্রের মাধ্যমে বিচার বিশ্লেষন করে যদি দেখা যায় যে সমাধান সম্ভব নয়।

ফোনে, সাক্ষাতে, ওয়েব মেইলে অনেকেই আমাদের প্রশ্ন করেন যে মনের মানুষকে কাছে ফিরিয়ে দেওয়া যাবে কিনা, কাওকে বশী করণ করা যাবে কিনা, নিঃসন্তানের সন্তান হবে কিনা, মামলা মোকদ্দমায় জয়লাভ হবে কিনা, ভ্রমণ, বিবাহ ইত্যাদি আরও বহু প্রকার প্রশ্ন, সে ক্ষেত্রে রাজেশ্বরী কনসাল্টেশন লিমিটেডের উত্তর হলো একজন মানুষ আপনাকে ঘৃণা করবে কেন অথবা মানুষের উপর আপনি প্রভাব প্রতিপত্তি কেন বিস্তার করতে পারছেন না, উল্লেখিত সমস্যার পথ সঠিক ভাবে নির্ণয় করতে হলে হস্তকরতল বিচার, কোষ্ঠী বিচার ও বাস্তু বিচার করে সমাধান দিয়ে থাকি ঐ ক্ষেত্রে যদি দেখি যে সমাধান হতে পারে তবেই আমরা সমস্যার পরিমাণগত দিক নির্ণয় করে সমাধান দিয়ে থাকি (নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে) এবং বহুমানুষ আজ উপকৃত।

অনেকেই রাতারাতি পরিবর্তন চেয়ে থাকেন যা কখনোই সম্ভব নয়। কেননা যে কোন প্রতিকার ব্যবস্থা যেমন কবচ, যন্ত্রম, অশুভ গ্রহ নক্ষত্রের প্রভাব নিরসন কল্পে শান্তিকর্ম রত্নপাথর ধারণ সহ আরও বহুবিধ কর্ম করার পর ৯০ দিনের পূর্বে সমস্যার সাধারণত সমাধান হয় না। তবে দ্রুত কার্যকরী কবচ, যন্ত্রম ৩০ দিনের মধ্যে সমাধান দিতে সক্ষম এই ক্ষেত্রে প্রতিকার গ্রহণকারীর ব্যায়ের মাত্রা বহুগুন বৃদ্ধি পাবে।
 
 
Warning: Any unauthorised use or reproduction of rajeshshori.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes
    copyright infringement liable to legal action.