শান্তি ও স্বস্তির সন্ধানে

মানুষের প্রবৃত্তিতে শুরু থেকে লালসার বীজ নিহিত রয়েছে এটা মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তির বিকাশ ও প্রকাশ মাত্র এর বিরুদ্ধে চলা কিছুতেই সম্ভব নয়, যতক্ষন না আল্লাহ্‌র বিধানের পরিবর্তন হবে, ততক্ষন পর্যন্ত এর ব্যতিক্রম আশা করা দূরহ্‌ ব্যাপার মাত্র তাই আল্লাহ্‌র নিষেধকৃত পথ বর্জন করে এবং আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিনের পছন্দনীয় পথের সীমানার মধ্যে বিচরণ করার মাধ্যমই কর্মময় ও ধর্মময় আকাঙ্খার ুভ ফল নিহিত রয়েছে এই কারণেই প্রতিটি কর্মের শুরুটা গ্রহ, নক্ষত্র, লগ্ন, রাশি, তিথি ষোড়ষবর্গ বিচার করে শুভক্ষনে শুরু করা উচিত শুভক্ষনটা নির্নয় করা সম্ভব একমাত্র মহা জাগতিক আত্মসাদ্ধিক জ্যোতিষ শাস্ত্রের সূত্র মতে আত্ম সাধনায় সাদ্ধিক জ্যোতিষীগণ, সৌরজগতের গ্রহ নক্ষত্রের বিচ্ছুরিত শুভাশুভ আলোক রশ্মির প্রভাবে সাংঘর্ষিক সংমিশ্রনের ফলে ঐ সময় ধরীত্রির বুকে সর্ব্ববস্তুর উপর আকর্ষীয় কি কি হতে পারে তা জানার জন্য মিশরের রাজা ফেরাউনের গণনাকারী জ্যোতিষী পরিষদ পর্যালোচনায় বসেন ফেরাউনের নির্দেশে জ্যোতিষী পরিষদের গণনাকারীরা বিভিন্ন গ্রহ নক্ষত্রের হিসাব ও সূত্র সঠিক ভাবে নির্নয় করে জানতে পারেন যে একজন মহা মানব পৃথিবীতে আগমন করবেন খুবই অল্প সময়ের মধ্যে এবং তাঁর মাধ্যমেই সমস্ত পৌত্তলিক অপসংস্কৃতি নিয়ম কানুন বিনষ্ট হবে এবং নির্দ্দিষ্ট সময়ে ফেরাউনকে পরাজিত করে মিশর তথা ফেরাউনের সাম্রাজ্য দখল করবেন পরিনামে হলোও তাই ইতিহাস ও আসমানী কিতাবের মাধ্যমে আল্লাহ্‌ পাক পরোয়ার দেগার আমাদেরকে জানিয়েছেন িনি কজন োরশেল য়গম্বর হয়রত ুসা লাইহিস সালাম ইহা থেকেই জ্যোতিষীর জাগতিক বিষয় আগাম গণনা প্রমানিত হয় পৃথিবীর বুকে এই ধারা আজও প্রচলিত আছে ধরনীর বুকে বহু জাতি, বহুদেশ আজও প্রকাশ্যে বলছেন যে, তাঁদের দেশ থেকেই(আমি দেশটির নাম উল্লেখ করলাম না) ্যোতিষ শাস্ত্র,বাস্তু শাস্ত্র উপত্তি হয়েছে আমি আমার গবেষণার মাধ্যমে যাহা জানতে পারলাম তাহা হলো ইসলাম র্মের ুরু থেকেই উক্ত শাস্ত্রের উপত্তি হয়েছে (আমার নিকট প্রমান বিদ্যমান আছে) আল বেরুনী সর্বপ্রথম প্রমান করলেন যে সকল গ্রহ পূর্ব দিকে ধাবিত কয়েক লক্ষ বসর পূর্ব থেকেই মুসলমানদের মাধ্যমেই জ্যোতিষ শাস্ত্র চর্চা,গণিত শাস্ত্রের চর্চা, বিজ্ঞানে সব শাখারই চর্চা হয়ে আসছে সামান্য একটি উদাহরণ যদি বাস্তবে আমরা দেখি ও বুঝার চেষ্টা করি তবে বিস্তারিত সত্য দৃশ্যমান মধ্যাহ্ন সূর্যের ন্যায় প্রমান হয়ে যাবে মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের মাধ্যমে কাবা ঘর নির্মান কাজ শুরু হয় আল্লাহর নির্দেশে নির্দ্দিষ্ট মাসের নির্দ্দিষ্ট তারিখে চন্দ্রকে কেন্দ্র করে চন্দ্রের উদয় অস্ত হিসাব ধরেই হজ্ব রোজা, মহরম, ঈদ, শবে বরাত,শবে কদর,নামাজের সুনির্দ্দিষ্ট সময় ও অন্যান্য সকল প্রকার মুসলমান ধর্মীয় অনুষ্ঠান শুরু  শেষ হয়ে থাকে নির্দ্দিষ্ট পরিসীমার গন্ডিতে, কোষ্ঠীতেও ঠিক তাই, চন্দ্র যে রাশিতে অক্ষাংশও দ্রাঘিমাংশ এবং অয়নাংশ অনুসারে থাকবে তাহাই বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে রাশি আবার চন্দ্রকে লগ্ন ধরে খুবই জটিল হিসাব বের করে একজন সচেতন মানুষের পবর্ততুল্য সমস্যার সমাধোনের পথ নির্দেশ করে দিতে হয় সুতরাং মুসলমানদের মাধ্যমেই পৃথিবী সৃষ্টির সূচনা থেকে উল্লেখিত শাস্ত্র পত্তি হয়েছে চর্চাও হয়েছে, প্রাচীন সেপন তার আরেক প্রমান সেপনে মুসলমানদের প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ফ্যাকাল্টির উপরে লেখা পড়ার জন্য শুধু সমগ্র ইউরোপ নয়,সমগ্র বিশ্ব এসেছে জ্ঞান চর্চার জন্য আরবের নাবিকারই সর্বপ্রথম সমুদ্রপথ আবিস্কার করেন,ইতিহাস তার বৃহ ্রমান সুতরাং যেদেশ ও জাতি বলবে তাঁর দেশ থেকে জ্যোতিষ, বাস্তু, তন্ত্র ও অন্যান্য শাস্ত্রের উপত্তি হয়েছে তাঁরা তার প্রমানিক দলিল দিতে সম্পূর্ন রুপে অক্ষম বলে আমি মনে করি আজও অনেক সচেতন নর-নারী অর্থনৈতিক  জাগতিক কোন কাজ শুরু করার প্রারম্ভেই জ্যোতিষী গননার মাধ্যমে গ্রহনক্ষত্রের বিচ্ছুরিত প্রতিফলিত আলোক রশ্মির ফলাফল হিসাব করেই কাজটি শুরু করেন, শুভ ফলাফলের আশায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শুভ ফল প্রতিফলিত হতে দেখা যায়, কার্যকারী ভাবে প্রতিকার ব্যবস্থা সঠিক হলেই সুপ্রভাবের ফলাফলও আশা করা যায়

কর্ম,বিবাহ,যশ,ব্যাধি,অর্থ,ব্যবসায় উন্নতি, অশুভ গ্রহনক্ষত্রের প্রতিকার, দৈব, দুর্ঘটনা, ভৌতিক মহাভয়, সানসিক উদ্বেগ,সাংসারিক অশান্তি দূরীকরনার্থে ড. হাসান কবির কর্তৃক পুরশ্চরণকৃত, রাশি কবচঠিক াশি ানা  াকলে অথবা যথা নের ৌতুহল রিতার্থ রার ন্য আপনার সময় ও অর্থ যাতে নষ্ট না হয় তদ, নিমিত্তে উল্লেখিত শুভ ফলাফল পাত্তয়ার জন্য রাশি কবচ সবাই ধারন করতে পারেন ূল্য- ,৪০০/- ৯০০০.০০ ও ১৮০০০.০০ টাকা মাত্র রুপার খোলে স্বর্নের খোলে মূল্যের তারতম্য ঘটবে িদেশে বচ পাঠানো - বে রূপা/ খোল পাঠানো হয় নাপ্রত্যুত্তর প্রার্থীর প্রচলিত ডাকমাশুল অবশ্যই প্রেরনীয় কবচ পাঠানোর ডাক ব্যয় ওয়েব সাইটে উল্লেখিত ব্যাংক এ ঠিকানায় টাকা পাঠাতে পারেন সঙ্গে নিজ নাম,পিতা মাতার নাম (যদি মরহুম / মরহুমা) হয়ে থাকেন তবে মরহুম / মরহুমা উল্লেখ করতে হবে রাশি কবচ ধারনের পর কোন প্রকার রত্ন পাথর ধারনের প্রয়োজন নেইধিক ুভফল লাভার্থে কপি বি পাঠাতে ারেনাশি বচের শক্রিমত্তা  সর ৫ মাস- ৫দিন পর্যন্ত পর আর প্রয়োজন হয় না যে কোন একটি সমস্যার জন্য রাজেশ্বরীর শোধনকৃত কার্ডে ুটির  ীড়ামিড় শোধন রে দেওয়া হয়, মূল্য ৫০৪.০০ টাকাাক ব্যয় স্বতন্ত্র েখানেই থাকুন যত ূরেই থাকুন না েন ডাক/কুরিয়ার যোগে াঠানো 

                                  (ুধু াত্র ন্যায় সঙ্গত কাজের জন্য)

                                   সমস্যার কথা জানাতে হবে

* দুঃসময়কে দুঃসময়ের হাতে ছেড়ে দেবেন কেন গ্রহ নক্ষত্রের দোষ কাটান যা কিছু 

   শুভ, তার সঙ্গে রাজেশ্বরী জ্যোতিষালয় 

হস্তকর রেখা বিচার মৌখিক-   াকা( োন ১টি বিষয়)

হস্তকর রেখা বিচার লিখিত-  াকা( োন ১টি বিষয়) 

কোষ্ঠী বিচার ( যাদের কোষ্ঠী আছে) ১৮০০০. াকা িখিত এক সরের সূক্ষ্ণফলাফলসহ

কোষ্ঠী বিচার (যাদের কোষ্ঠী নেই) জম্ন কুন্ডলী ও সূক্ষ্ণফলাফল সহ এক বসরের জন্য ২১০০০. াকা

সংক্রান্তির স্নান দ্রব্য = ৭০২.০০ টাকা  ংক্রান্তির জন্য 

সংক্রান্তির স্নান দ্রব্য = ৭০০২.০০ টাকা ারটি সংক্রান্তির জন্য

সর্বমঙ্গঁলা স্নানের জল = ১লিটার ১৮০০./৬০০./০০০৮.০০ াকা(বার ন্য ্রযোজ্য 

বাস্তু বিচার = চেম্বারে = ৩৫৫১.০০টাকাাস্তু িচার বাস্তু র্ত্তার ্থানে াকার মধ্যে = ৭০০২.০০টাকা 

* রাজেশ্বরী জ্যোতিষালয়ের সদস্যগণ ৩% ছাড় পাবেনাক যোগে  োন বস্তু ও দ্রব্য েতে াক ব্যয় স্বতন্ত্র 

বর্তমান সময়ে দ্রব্য মূল্য উর্ধ্বগতি বিধায় মূল্য যে কোন সময় পরিবর্তন হতে পারে

দক্ষিনাবর্ত্ত শঙ্খ ও শালগ্রাম শিলা শুধুমাত্র অমুসলিমদের জন্য  মুখী,১৪ মুখী,গৌরীশঙ্কর, ও ত্রিজুতি রুদ্রাক্ষ দুষ্পাপ্য বিধায় যোগাযোগ না করার জন্য অনুরোধ কর হলো

রাজেশ্বরী জ্যোতিষালয়ের যে কোন রত্নপাথর সম্পূর্ণ রূপে কালার ট্রিটমেন্ট,কসমিক-রে,হিট ট্রিটমেন্ট, লেজার ট্রিটমেন্ট,ল্যাবরেটরী ট্রিটমেন্ট বিহীন, ফলে রত্নপাথর ক্রয়ের বিশুদ্ধ প্রতিষ্ঠান।

গ্রহের অশুভ প্রভাব থেকে নিরসন কল্পে বিবিধ দ্রব্যের সংমিশ্রণে স্নান নিমিত্তে স্নানের ্রব্য েওয়া হয় বং যে োন ব্যক্তিই ্নান দ্রব্যদ্বারা ্নান করতে ারেন  ্রব্যের োন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেইবগ্রহ ্নান দ্রব্য ূল্য ৩২ িনের জন্য = ৩৬২.০টাকা ি ক্ষত্র ও নয়টি ্রহের র্থা (টত্রিংশতি) ্নান দ্রব্যের ূল্য ৩২ িনের জন্য= ২৫৫.০০ টাকা াক ব্যয় স্বতন্ত্র

জোয়ারের গঙ্গাজল

ব্যবহার বিধি ও উপকারিতাঃ ুভ তিথি, নক্ষত্র, যোগ করণ ও বিশেষ শুভ সময়ে বিবিধ প্রকার দ্রব্য পূর্ন জোয়ারের সময় বিসর্জন দিয়ে এই গঙ্গাজল সংগ্রহ করা হয়েছে কাল, দুপুর, সন্ধা ও রাত্রিতে এই চারবার এই জল ব্যবহার করতে কালে ঘুম থেকে ঠে বিছানায় বসে সর্ব্বশক্তিমানের দ্দেশ্যে মঙ্গল কামনা করে,স্নান করে বাড়ীর প্রধান দরজায় ও নিজ মস্তকে এই জল ছিটাতে হবেধ্যাহ্ন োজনের  ান্নাঘর াওয়ার েবিলে সঙ্গে সকল রূমে ছিটাতে হবেেলা :০০-১৭:০০ মধ্যে গৃহের সর্বত্র এবং রাত্রিতে নিদ্রা যাওয়ার প্রাক্কালে বিছানায় ও মস্তকে এবং সকল ঘরের দরজায় এই জোয়ারের গঙ্গাজল ছিটিয়ে শুতে যাওয়া উচি

ব্যবসার স্থানে,কারখানায়, দোকানে প্রত্যহ দোকান খোলার পর ও সুর্যাস্তের সময় জোয়ারের গঙ্গাজল ছিটানো এবং ব্যবসায় স্থানে কোন কিছু খাওয়ার পর হাত ধুয়ে এই জলটি মস্তকে ছিটিয়ে নেওয়া উচিক্ত িয়ামানুযায়ী োয়ারের গঙ্গাজল ব্যবহারে ুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি বজায় থাকে, জ্ঞাত অজ্ঞাত পাপ জনিত দূর্ভোগ নষ্ট হয় ্যবসায় বিদ্যায় উন্নতি, কর্মক্ষেত্রে বাধাদুর,শত্রু প্রশমন, দাম্পত্য সুখ, অকাল দূর্ঘটনা রোধ, গ্রহ দোষ, বাস্তু শান্তি, রোগ শান্তি এবং অভিষ্ট সিদ্ধির জন্য বিশেষ মুহুর্তে এবং বিশেষ বিশেষ নক্ষত্রে সংগ্রহকৃত জোয়ারে গঙ্গাজল ব্যবহারের বিকল্প নেই ছরের বারোটি াসই িষ্ঠার সঙ্গে ব্যবহারে মঙ্গল ্পর্শ রতে ারে  মনকি ক্ষতিকর ব্যক্তিরাও ্ষতি করতে ারে 

দক্ষিনা ১০০ মিঃ লিঃ = ৯০০০.০ াকা াত্র  সরের জন্য যথেষ্ট

উল্লেখিত নিয়মে মুসলমান জন্য পদ্মার জোয়ারের জলের মূল্য = ৫৪০০.০০টাকা ০০.০০ িঃ লিঃ, নিয়মে সমুদ্রের জোয়ারের জলের মূল্য ৭২০০.০০টাকা ১০০ মিঃ লিঃ 

ত্রিবেনী সঙ্গমের জল = ২৫ মিঃ লি = ৪৫০০.০০ টাকা্রিবেনী ঙ্গমের জল র্ম্পকে াক্ষাতে ানতে হবে

তান্ত্রিকপুরশ্চরণকৃত কিছু প্রয়োজনীয় বস্তু(আমি কর্তৃক)

পুরশ্চরণকৃত কৃষ্ণ তিল তৈল = (৫০ মি  লিঃ) = ২৪০১.০০ টাকা

পুরশ্চরণকৃত বট ঝুড়ি = (০৫ গ্রাম) = ১৮০১.০০

পুরশ্চরণকৃত গোরচনা = (০৫ গ্রাম) = ৫২০০১.০০

পুরশ্চরণকৃত অষ্টগন্ধ = মূল্য সাক্ষাতে 

পুরশ্চরণকৃত জাফরান = ১০ গ্রাম = ৮২০১.০০ টাকা

অষ্টগন্ধের কালিতে খাঁটি মৃগণাভীর প্রয়োজন হয়, তদনিমিত্তে এই বস্তুটি সংগ্রহ সরকারের মাধ্যমেই করতে হবে,আমাকে বা আপনাকে উক্ত ক্ষেত্রে সরকারী মূল্য ধার্য হবে এবং ক্রয়কর্ত্তাকে উক্ত ব্যয় বহন করতে হবে াজ জাতক . াসান কবির োন প্রকার নৈতিক ্রীয়া র্ম রেন , সুতারাং উক্ত বিষয়ে সর্বদা ধ্যান রাখতে হবে

পুরশ্চরণকৃত কৃষ্ণ তিল = (১০৮ গ্রাম) = ১৬৮১.০০ টাকা

পুরশ্চরণকৃত শ্বেত সর্ষপ = (১০৮ গ্রাম) = ৪৮০১.০০ টাকা

পুরশ্চরণকৃত কাঁচা হলুদ = ( ১০৮ গ্রাম) = ১২০১.০০ টাকা

আপনি অর্ডার দিলেই বস্তুগুলি সঙ্গে সঙ্গে পাবেন না ন্য  িন সময় দিতে বেুধুমাত্র জোয়ারের গঙ্গাজল,পদ্মার জল, সমুদ্রের জল ও ত্রিবেণী সঙ্গমের জল পেতে ১৫ দিন অপেক্ষা করতে হবে ্রিবেণীর জল াঁদেরকেই দেওয়া হয় াদের সঠিক ম্ম ারিখ জানা ছে

কিছু গুরুত্বপূর্ন শান্তি বিধান (যদি পালন করতে পারেন তবে সর্বাত্তম )

আমাদের আয় যতই হোক না কেন ব্যয় যেন পিছু ছাড়ে না অযথা ব্যয়ের ফলেই কিন্তু মানুষ এত অসুবিধার সমমুখীন হন সমাজে এক সময় প্রতিষ্ঠিত ছিল এমন অনেক মানুষের সাথে আমার স্বাক্ষা হয়েছে, কিন্তু আমি দেখলাম তাঁদের বৈষয়িক বুদ্ধি কিছু কম ছিল বহু কষ্টে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন কিন্তু ব্যাঙ্ক সেভিংস বলে কিছু নেই যদিও অনেক গুলি টাকা হয়ত কোন কারণে হঠা েলেন তো েই মুহুর্তে িক, বিদিক জ্ঞান হারিয়ে পূর্বের সব দুঃখ ভুলে, বেশ কিছু দিন ঐ টাকা আলমারি বন্দি করে রাখলেন, এরপর হয়তো কিছু দিন ব্যাঙ্কে রাখলেন তারপর শুরু হলো চিন্তা যে,কিভাবে ঐ টাকা খরচ করবেন অর্থা যথা িন্তার সাগরে ভাসা

আমার একটা কথা ভেবে অবাক লাগে কত মানুষ এই ছোট্ট জীবনে দেখলাম কি অদ্ভুদ এই মানুষ,আপনাকে বলছি আমার এই লেখার সঙ্গে হয়ত আপনার ও কোথাও একটু মিল খুজে পেলেও পেতে পারেন

সাংসারিক সুখপ্রাপ্তি

প্রতিদিন সকালে নিজের খাবারের কিছুটা অংশ কোন গাভী বা কাককে খাওয়ানশু-পক্ষীদের াথে াবার এই াবে াগ করে খেলে াংসারিক ুখ প্রাপ্তি  নাতন ধর্মালম্বীদের জন্য ালো-ুকুর, মুসলমানদের জন্য গাভী হলে ভাল হয়

গৃহস্থ্য রমণীরা রান্নাঘর অথবা যেখানে ভোজনের জন্য রুটি প্রস্তুত করেন সেই ঘরে অথবা সেখানে বসে রুটি খেলে কলহপূর্ন সংসারে কলহনাশ হয়ে পূনরায় গৃহে শান্তি ফিরে আসে তর্কতা এই  রজায় বসে নয় ান্নাঘরে বসে দক্ষিনমূখী য়ে খাওয়া কর্তব্য

রজনীর আহারান্তে নিদ্রা যাওয়ার প্রাক্কালে খাটের নীচে (আপনার বালিশ বরাবর নীচে) কংস্য ধাতু /কাঁচের ধাতু দ্বারা নির্মিত গ্লাসে পানি/জল রাখুনকালে স্নানান্তে ক্ত  ৃহ সীমানার কোন পবিত্র োণে েলে িন অথবা  জল ্বারা আপনার মুখ ও হাত ধুলে ঘরোয়া বিবাদ, অসুখ ও বিবিধ অশুভ থেকে পরিত্রান পাওয়া যায়আমার নিকট থেকে জল নিলে চার লিটারের দাম পড়বে = ১৮০০.০০ টাকা

ঋণ থেকে মুক্তি

বছরে একদিন (আপনার জম্মদিনে) আপনি নিজে এবং প্রতিমাসে অন্তত একদিন আপনার পরিবারের যতজন সদস্য আছে সকলে মিলে মিষ্টিরুটি ইত্যাদি গৃহের বাহিরে (কোন ক্রমেই গৃহ সীমার ভিতরে নয়) পশুদের খাওয়ান  লে গৃহের যাবতীয় ুখ শান্তি জায় াকবে এবং গৃহে োন অভাব াকবে না  ুক্তি টবে পকার পেলে ্রচার রবেন

সন্তানের মঙ্গল

গর্ভবতী হওয়ার সময় থেকে গর্ভবতী রমনীর হাতে লাল সুতোর ডোর বাঁধুনন্তান ূমিষ্টের পর ন্তানের ঠারো মাস বয়স পর্যন্ত সেই ডোর ধারণ রুন লে আপনার সন্তান ানা মস্যার অশুভ েকে ক্ষা পাবোল সুতোর ডোর আমি গর্ভবতী সবাইকে ুরশ্চরণ/োধন রে এমনিতেই দেই বিনিময়ে কোন অর্থ ্রহণ করি না

মৃতসন্তান দোষ কাটানোর উপায়

বহু ভাগ্যহীনা রমনী আছে, যাদের সন্তান জম্মানোর সাথে সাথে গত হয় োন নারীর জীবনে যদি এমন ঘটনা কাধিকবার ঘটে তবে সে ারীর জীবন াঁর াছে, পরিবারের কাছেও অভিশপ্ত বলে বোধ করি িন্তু তে হতাশ ওয়ার কিছু েই ীচের নিয়মটি ালন রুনেখবেন র্ব্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তা আপনার সন্তানকে রক্ষা করবেন িয়মটি -

সন্তান জম্মানোর সাথে সাথে যদি মিষ্টান্নযুক্ত খাবারের সাথে নোনতা খাবার সাধারণ মানুষ ও পশুপক্ষীকে খাওয়ানো যায় তবে পরম করুণাময়ের কৃপায় সেই সন্তান নিঃসন্দেহে আয়ুষ্মান (আয়ু+সম্মান) হবে

সতর্কতাঃ কোন প্রকার মানসিক অর্থা িয়ত রতে ারবেন  , আমার সন্তান দীর্ঘজীবী হলে অমুক মাজারদরগায়, মন্দিরে অর্থা েবালয়ে এই েব সেই দেব ইত্যাদি

জ্যোতিষ ও বাস্তুবিদ হওয়াতে তসঙ্গে বিনা ঔষুধে বহু জটিল ও কঠিন রোগ থেকে নিরসন কল্পে বহু মানুষই আমার নিকট আসেন, কাউকে এও বলতে দেখেছি যে, নিজেও শ্রবন করেছি ল্লাহ মাকে শুধু ষ্ট িচ্ছেন, আমি(অর্থা িনি লেছেন িনি) োন কিছুই (াপকর্ম) রলাম না থচ এতকষ্ট াচ্ছি, তখন সব থেকে উচি িক্ষা  িজে য়নার সামনে দাঁড়িয়ে এ কথাগুলি বললেই নিজের কুকির্ত্তির ছবি চোখের সামনে ভেসে ঠবে ল্লাহকে োষারোপ না রে নিজেকেই দোষ দিয়ে ুল কিনারা াবেন নাল্লাহ্‌ রোয়ারদেগার আলম এই ুনিয়ার দুলাদন্ডে মেপে ন্যায়ের াস্তি িয়ে াকেন, পরকালে কী হবে আমার আপনার সবার জানা েমন র্ম রা হয় ল্লাহ্‌ িক তেমন  েন ুবই াধারণ িছু িষয় মি আপনাদের মেনে লার ন্য নুরোধ রছি েনেই দেখুন না াতে াতে গদে ুফল পাপ্তি ঘটবে

পুণ্য (ছওয়াব) যদি অর্জন করতে না পারেন,কমপক্ষে স্বীয় কর্ম দোষে পাপ অর্জনের চেষ্টা করবেন না প্লিজ

বাড়িতে একজনকে অবিভাবক এর স্থান দেওয়া উচিত, নচে কলেই মাতব্বর হলেই হা সমস্যা

বয়স্ক বৃদ্ধ ব্যক্তিগণ অনেক অভিজ্ঞতাই অর্জন করেন সারা জীবন তাই তাঁদেরকে যারা শ্রদ্ধা সহকারে বন্ধু করেন তারা জীবনে বহু বিপদ থেকে রক্ষা পাবেন ৃদ্ধ ব্যক্তিগনের কাছ থেকে ুদ্ধি িবেন এতে নিজেরই পকার হবেিছু থা এখানে লিখছি যেগুলি েনে ললে পকার ছাড়া পকার হবে না

যাত্রাকালে পিতামাতা ও গুরুজনদের করে যাত্রা করলে যাত্রা শুভ হয়

সর্বদা পাক পবিত্র অবস্থায় যাত্রা করবেন, এবং খালি পেটে যাত্রা করবেননা, সনাতন ধর্মালম্বীরা যারা একাদশী, অমবস্যা বা গুরুদীক্ষায় ব্রত পালন করে থাকেন তারা অবশ্যই তাঁদের ধর্মীয় বিধান মেনে যাত্রা করবেনির্জলা উপবাসে  ান করে যাত্রা রলে িপদের শঙ্খা াকে

শনি, রবি, সোম, মঙ্গলবার ঘুম থেকে উঠেই বিছানা (শয্যা) থেকে নামবেন প্রথমে ডান পা ফেলবেন, ডান দিকের নাকের নিঃশ্বাস ভিতরে টেনে নিবেন, বুধ, বৃহস্পতি শুক্রবার ঠিক উল্লোটাই করবেন র্থা াম পা  বাম নিশ্বাস ব্যবহার করবেনাড়ী েকে াহিরে াত্রাকালে কই ভাবে যাত্রা করবেন

শুভ কাজে,পরীক্ষা দিতে গেলে মাংস, ডিম, রাজভোগ খাবেন না,মাছ খেতে পারেন তবে পরান্নভোজন বর্জনীয়

কোন ব্যাপারে অহংকার করবেন না,আমি দেখেছি সেই ব্যাপারেই সে ক্ষতিগ্রস্থ হয়

কোন সরল মানুষের সরলতার সুযোগ নিলে বা তাঁকে নিয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করলে অবশ্যই সেই ফল তাকেই ভোগ করতে হবে

সন্তান মানুষের মত মানুষ হয় একমাত্র মায়ের ত্যাগ ও শিক্ষার ফলেই,তাই মাকে সর্বদা সংযমী, শিক্ষিত এবং দূরদৃষ্টি সম্পন্ন হতে হয়, সঙ্গে অশালীন বস্ত্রব্যবহার পরিত্যাগ করতে হয় চে ারাজীবন ুঃখেই ীবন ায়

পুরুষের গুনে লোকজনের বৃদ্ধি হয় নারীর সংযমের সন্তান শিক্ষিত ও ধনের বৃদ্ধি হয়

কন্যার মায়ের যে মাসে বিবাহ হয় সেই মাসে কন্যার বিবাহ দিলে ন্যা অযথা শান্তিতেই োগে  শান্তির ারণ ুজতে বহু ত্যাগ ও পরিশ্রম করতে হয় আমাদেরকে (জ্যোতিষ ও বাস্তবিদকে)

সর্বদা ছেঁড়া জুতা, ভাঙ্গা বা ফুটো হাড়ী,ছেঁড়া তোয়ালে বা গামছা, কলসী (কলস) বাসন ইত্যাদি ঘরে ছড়ান, ছিটান পড়ে থাকলে সন্তান ও গৃহসজ্জার প্রতি স্ত্রীর দৃষ্টি না থাকলে (অবিবাহিতদের নিজের দৃষ্টি) ঐ স্ত্রীর দ্বারা বিরাট কোন ক্ষতির সম্ভবনা থাকেময় থাকতে তার দিকে র্তক দৃষ্টি াখুন

চৈত্র মাসের সংক্রান্তিতে অর্থা ০শে ৈত্র বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত হিসাব মতে ১৪ই এপ্রিল াগল, গরু, বালক, কাককে ভোজন করালে গৃহের অশান্তি দূর হয় তদ্রুপ রাহু ও কেতুর অশুভ প্রভাব নিরসন হয়াদ্যের মধ্যে চিড়াভাজা াকলে সর্বোত্তম

অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় মাছ মাংস ভোজন করলে বহু প্রকার রোগের সৃষ্টি হয়পুরনো রোগ বলশালী হয়ে শরীরের জন্য ক্লেশ দায়ক হয়

শনিবার একদামে কলা কিনে কালো গাভীকে খাওয়ালে বহু বাধা দুর হয় মার াস্তব ভিজ্ঞতায় দেখেছি েয়েদের বন্ধ্যাত্ব র্যন্ত দূর হয়েছেতকর্তা এই , কোন প্রকার মানসিক করা যাবে না মানসিক = নিয়ত

প্রাতঃকালে শিশুকে গাল দিতে নেই বা আজে বাজে অভিশাপ দিতে নেই, এর দরুন অত্যন্ত বাজে ফল পেতে দেখেছি বাবা মাকে

বুধবার  োমবার ্ষৌরকর্ম করবেন,উক্ত দিনের মধ্যে জম্মদিন হলে জম্মদিনে ক্ষৌর কর্ম করবেন না

বাড়িতে ঝুল জমাতে দিবেন না এবং ভাদ্র মাসে জমাকৃত ঝুল পরিস্কার করবেন না

বৃহস্পতি,শুক্র বা শনিবারে বিউটি পার্লারে রূপচর্চার জন্য গেলে পতি পত্নীর সংসারে কলহ বৃদ্ধি পেতে দেখেছি

জম্মা ারে িবাহ না রাই ত্তম

অন্তঃসত্তা মহিলারা সূর্য এবং চন্দ্র গ্রহনের সময় কোন কিছু কাটবেন না ্রহনের পূর্বে ন্ধনকৃত হার ্রহনের পর োজন রলে ীর্ঘ মেয়াদী োগের সৃষ্টি 

গ্রহনের (সূর্য, চন্দ্র) সময় পত্র পত্রিকা মতে জেনে পূর্ব থেকে সর্তক থাকুন, গ্রহণ শেষে স্নানান্তে নতুন করে রান্না করে আহার করুন

হাঁচি সর্বদা পশ্চিমে অথবা উত্তর পশ্চিম দিকে মুখ করে দিবেনঅন্য দিকে হাঁচি দুঃখের কারণ হয়

চল্লিশ বসর বয়স যারা অতিক্রম করেছেন তাঁরা সামুদ্রিক অর্থা োনা ানির মাছ না াওয়াই র্বোত্তম

সর্ব বেদসার, সর্বতন্ত্রসার, সর্বপুরাণ ও উপপুরাণসার, ব্রহ্মা, বিষ্ণু  হেশ্বর কথিত নাতন ধর্মালম্বীরা ্রী ্রী ুর্গানাম জপ াধন রুন এই‍‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‍‍‌‍‌‌‍‍‍‍‍দূর্গা ্বয়ং একটি িদ্ধমন্ত্র শুধু  হ্রীং ুর্গে ুর্গে ক্ষনি স্বাহা এই মন্ত্র প্রত্যহ ১০০৮ বার জপ করলেই হবে জপে অসমর্থ হলে লাল কালি দিয়ে এই মন্ত্রটি প্রত্যহ ০০৮ ার লিখতে হবে তবে সময় থাকলে এর েশী সংখ্যা জপ বা লিখা যাবে সনাতন ধর্মের সর্ব্বসম্প্রদায়ই লিখতে পারেন এই নাম জপ ও লিখতে গুরুর প্রয়োজন নেই সময়, অসময় শুচি ও অশুচির প্রয়োজন নেই ভ্রষ্টা, পতিতা এমনকি বারবণিতাও জপধ্যান করতে পারেন  

ধর্ম শুধু মাত্র ধার্মিক পোষাক পরা নামাজ রোজা পূজা অর্চনা করা নয়র্মের ঙ্গে জীবনের সর্ম্পক রয়েছে আমাদের মর্যাদা,পরম্পরা,সংস্কার আর জীবন মূল্যের নামই হচ্ছে ধর্ম যে ব্যক্তি কখনো ক্রোধ প্রকাশ করে না, একমাত্র সেই ধার্মিক হতে পারে আর যে ব্যক্তি কথায় কথায় রেগে উঠে সে কখনো ধার্মিক হতে পারে না তক্ষন র্যন্ত ক্রোধের প্রশমন  চ্ছে, ততক্ষন পর্যন্ত ব্যক্তি ধার্মিক হতে পারবে না িতরের ন্ধকার ছেয়ে াকলে বাহিরে ্রদীপ ্বালানোর কোন অর্থ য়না বার গে মনের ন্ধকার ক্রোধকে বাইরে বের করে আনুন কমাত্র তা লেই ার্মিকতা, আধ্যাত্মিকতা জাগ্রত হবে

প্রাণশক্তি হচ্ছে প্রাণ বায়ুগুলোর শক্তি যেটাকে জাগ্রত করার জন্য কিছু শক্তিশালী আয়াত উচ্চারণ করার অত্যাবশ্যক তক্ষন র্যন্ত প্রাণশক্তি াগ্রত য়েছে ততক্ষনই জীবন ীবনের বচেয়ে  িনিষ হচ্ছে সন্তুষ্টি িন্তু খন ব্যক্তির ত্মাই তৃপ্ত াকে, তখন সব কিছুই ব্যর্থ হয়ে পড়ে ্রতিটি ব্যক্তিই ংসারের বন্ধনে জড়িয়ে রয়েছে এই বন্ধন থেকে মুক্তি লাভের জন্য এবং রোগে,শোকে,দারিদ্রে,দুর্ভিক্ষে, পৃথিবীর শান্তি কামনায়, রাষ্ট্র বিপ্লব,অপমৃত্যুভয়ে, সর্পভয়ে, অগ্নিভয়ে, ্যঘ্র ও অন্যান্য হিংস্র জন্তুর ভয়ে, অরণ্যে, রণে দারুন বিপদে, শত্রু ভয়ে, জল ও স্থল বিপদে,বিবাদে বিষাদে, স্বামী স্ত্রীর সুখ মিলনে,সৃষ্টিকর্ত্তার প্রেমে, অভিষ্ট সিদ্ধিতে,বৈধব্য দোষে, স্ব কামনায়, অকাল বৈধব্য দোষে,সন্তান কামনায়, অর্থলাভার্থে, স্বজন বিচ্ছেদে,বন্ধু বা আত্মীয় বিচ্ছেদে, কর্ম্মলাভার্থে, আয় বৃদ্ধিতে,ব্যয় সংকুলানে মুসলমান গভীর রাতে তাহাজ্জুত নামাজ পড়ে দোয়ায়ে গঞ্জল আরশ, দোয়ায়ে তুনাজ্জিনা ও সর্বদা উচ্চারনে বা মনে মনে লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলীউল আযীম" পাঠ করবেন এবং প্রত্যেক ফরজ নামাজান্তে আয়াতুল কুরসী পাঠ করে ও প্রাণীর কল্যানার্থে সৃষ্টিকর্ত্তার উদ্দেশ্যে প্রার্থনা করবেন

উচ্চারণঃ বিস্‌মিল্লাহির রাহমানির রাহীম আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আলা আলি সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিন্‌ সলাতান তুনাজ্জীনা বিহা মিন্‌ জামীয়িল্‌ আহ্‌ওয়ালি ওয়াল আফাতি, ওয়াতাক্বদীলানা বিহা জামীয়িল হাজাতি, ওয়া তুত্বহহিরূনা বিহা মিন জামীয়িস্‌ সাইয়্যিআতি, ওয়া তারফাউনা বিহা ইন্‌দাকা আলাদ্‌ দারাজাতি, ওয়া তুবাল্লিগুনা বিহা আক্বছাল্‌ গায়াতি মিন্‌ জামীয়িল খাইরাতি ফীল হায়াতি ওয়া বাদাল্‌ মামাতি,ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইয়িন্‌ ক্বাদীর বিরাহ্‌মাতিকা ইয়া আর হামার রা-হিমীন

সনাতন ওঁ হ্রীং ুর্গে ুর্গে ক্ষনি ন্ত্রটি  রলেই হবে

যে কথা আমি এখানে লিখলাম এগুলি সবগুলিই আমার বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা

কোন বইতে এগুলি পাবেন না মার িখা িলিয়ে েখুন, যদি দেখেন যে,আপনার ক্ষেত্রে এগুলি পালন করে উপকার পাচ্ছেন তাহলে মেনে চলুন, অন্যথায় মানার কোন প্রয়োজন নেই

সর্ব্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট দৃশ্যমান প্রাকৃতিক সম্পদের আপনার দ্বারা যেন কোন প্রকার ব্যত্যয় না ঘটে  শুভ কামনায় বাংলাদেশ ভূখন্ডে জম্মগ্রহনকারীর পক্ষ থেকে বিশ্ব মানব সভ্যতার প্রতি কল্যাণময় প্রার্থনা জানাচ্ছি

শান্তি  স্বস্তি লাভ হউক

ড. হাসান কবির

 

Warning: Any unauthorised use or reproduction of rajeshshori.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes
    copyright infringement liable to legal action.