বিভিন্ন ধরণের জমি
 
৪। গজবীথি : দক্ষিণ দিক উঁচু ও উত্তর দিকে ঢালু জমি গজবীথি। এই ধরণের জমি আরোগ্যকারী ( চিত্র -৪)
 
৫। ভূতবীথি : ঈশাণ দিকে উঁচু ও নৈর্ঋত দিকে ঢালু থাকলে সেই জমিকে ভূতবীথি বলা হয়। এর ফল কষ্টদায়ী (চিত্র-৫)
 
৬। নাগবীথি : আগ্নেয় দিকে উঁচু ও বায়ব্য দিকে ঢালু হলে সেই ভূমি নাগবীথি। এই ধরণের ভূমি অর্থ লাভ প্রদানকারী (চিত্র - ৬)
 
৭। ধনবীথি : নৈর্ঋত দিকে উঁচু ও ঈশান দিকে ঢালু হলে সেই ভূমিকে ধনবীথি বলা হয়। এ ধরণের জমি প্রচুর ধনদায়ী।
 
৮। বৈশ্বানরবীথি : বায়ব্য দিকে উঁচু ও আগ্নেয় দিকে ঢালু ভূমি বৈশ্বানরবীথি। এ ধরণের জমি ধননাশকারী।
 
৯। পিতামহ বাস্তু : যে ভূমি পূর্ব ও আগ্নেয় দিকের মাঝখানে সর্বাধিক উঁচু এবং পশ্চিম ও বায়ব্য দিকের মাঝখানে সর্বাধিক নিচু থাকে তাকে পিতামহ বাস্তু বলা হয়। এ ধরণের ভূমিতে মানুষ সুখী হয়।
 
চিত্র:
 
১০। সুপন্থ বাস্তু : যে ভূমি আগ্নেয় দিক ও দক্ষিণ দিকের মাঝখানে সর্বাধিক উঁচু হবে এবং উত্তর দিক ও বায়ব্য দিকের মধ্যে সব থেকে নিচু থাকবে তাকে সুপন্থ বাস্তু বলা হয়। এই ধরণের জমি সকল রকমের কাজের পক্ষে অনুকূল।
 
১১। দীর্ঘায়ু বাস্তু : যদি ভূমি দক্ষিণ দিক ও নৈর্ঋত দিকের মধ্যে সব থেকে উঁচু থাকে এবং উত্তর দিক ও ঈশান দিকের মধ্যে সব থেকে নিচু থাকে তা হলে সেই ভূমি হল দীর্ঘায়ু বাস্তু। এই ধরণের ভূমিতে বংশ বৃদ্ধি হয়।
 
১২। পুণ্যক বাস্তু : ভূমি যদি নৈর্ঋত দিক ও পশ্চিম দিকের মাঝখানে সব থেকে উঁচু হয় এবং পূর্বদিক ও ঈশান দিকে সব থেকে নিচু হয় তা হলে তাকে পুণ্যক বাস্তু বলা হয়। সমস্ত রকমের শুভ ফল এই জমিতে পাওয়া যায়।
 
চিত্র :
 
১৩। অপথ বাস্তু : যদি ভূমি পশ্চিম দিকে ও বায়ব্য দিকের মাঝখানে সর্বধিক উঁচু এবং পূর্ব দিক ও আগ্নেয় দিকে ঢালু হয় তা হলে এই ভূমি হবে অপথ বস্তু। এই ধরণের ভূমি হল শত্রুতা ও কলহের স্থান।
 
১৪। রোগকৃত বাস্তু : যে ভূমি বায়ব্য দিক ও উত্তর দিকের মধ্যে সব থেকে উঁচুতে থাকে এবং আগ্নেয় দিক ও দক্ষিণ দিকের মধ্যে সব থেকে নীচে থাকে তা হলে রোগকৃত বাস্তু। এই ধরণের ভূমি হল নানারকম রোগব্যাধির আস্তানা।
 
১৫। অর্গলা বাস্তু : ভূমি যখন উত্তর দিক ও ঈশান দিকের মধ্যে সব থেকে উঁচু থাকে এবং দক্ষিণ ও নৈর্ঋত দিকে ঢালু থাকে তখন সে জমি হবে অর্গলা বাস্তু। এই জমি ভয়ঙ্কর ধরণের পাপ নষ্ট করে দেয়।
 
চিত্র :
 
১৬। শ্মশান বাস্তু : ভূমি যদি ঈশান দিক ও পূর্ব দিকের মধ্যে সব থেকে উঁচুতে থাকে এবং নৈর্ঋত দিক ও পশ্চিম দিক সব থেকে নিচু হয় তা হলে সে জমিকে শ্মশান বাস্তু বলা হয়। এই ভূমিতে কুল বা বংশ হানি ঘটে।
 
১৭। শ্যেনক বাস্তু : যে ভূমি নৈর্ঋত, বায়ব্য ও ঈশান দিকে সব থেকে উঁচু হবে এবং আগ্নেয় দিকে সব থেকে নিচু সেটি হল শ্যেনক বাস্তু। এর ফল হয় মৃত্যু।
 
১৮। স্বমুখ বাস্তু :যে ভূমি বায়ব্য, ঈশান ও আগ্নেয় দিকে সব থেকে উঁচু, উত্তর ও নৈর্ঋত দিকে সব থেকে নিচু, সেটি হল স্বমুখ বাস্তু। এই ভূমি দারিদ্র প্রদান করে।
 
চিত্র :
 
Warning: Any unauthorised use or reproduction of rajeshshori.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes
    copyright infringement liable to legal action.