১৪১৭ বঙ্গাব্দ ১ লা বৈশাখ (১৫ইএপ্রিল) শুরু
হচ্ছে শুক্লা প্রতিপদ তিথি এবং অশ্বিনী নক্ষত্রের মাধ্যমে-যাহা বিগত ৭৯ বৎসর যাবৎ
হয় নাই। বিশেষ করে রাশি চক্রের মেষ রাশি ,অশ্বিনী নক্ষত্র দিয়ে ৭৯ বৎসর ধরে ১ লা বৈশাখ আরম্ভ হয় নাই। বৎসরের
সূচনা লগ্নে রবি, চন্দ্র, বুধ,শুক্র এই চতুর্গ্রহ মেষ রাশিতে,কেতু মিথুনে, মঙ্গল
কর্কটে, শনি কন্যায়, রাহু
ধনুতে এবং বৃহস্পতি কুম্ভ রাশিতে অবস্থান করায় সমগ্র বিশ্বের জন্য গত বৎসরের
তুলনায় অপেক্ষাকৃত উন্নয়নমূলক এবং তাৎপর্য্যপূর্ণ। বিশেষ
করে বৎসরের সূচনা লগ্নে রবি, মঙ্গল,শনি গ্রহের অবস্থান মিত্র রাশিতে হেতু বিশ্বের উন্নয়নমূলক
কর্মকান্ড গবেষণা, সন্ত্রাসবাদ এবং অন্যায় অবিচার প্রতিরোধ
বিশ্ব জনমত ও সচেতনতা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাবে। ২৭শে মে ২০১০ বৃহস্পতিবার বিশাখা নক্ষত্রে পূর্ণিমা (গুরু পূর্ণিমা) শুরু
হওয়াতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে খন্ডযুদ্ধ, স্নায়ু
যুদ্ধ ও উত্তেজনা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। ১৪১৭
বাংলায় ২টি সূর্য ও ২টি চন্দ্রগ্রহনের পূর্বাপর সময়ে বিশ্বব্যাপী নানা ধরণের
দূর্যোগ দুর্বিপাক, যুদ্ধ বিগ্রহ, রাষ্ট্র
নেতাদের পরস্পর পরস্পরের প্রতি সন্দেহ প্রবণতা প্রচুর লোকক্ষয়,ভূমিকম্প, জলোচ্ছাস,বিবিধ প্রকার অপ্রত্যাশিত দূর্ঘটনা,একাধিক বিশ্ব বরেণ্য ব্যক্তির অপঘাতে মৃত্যু ঘটার সম্ভাবনা। সূর্য
গ্রহণের গ্রাস মান ০.১১৪১ থেকে ০.১১৪২ এর মধ্যে হওয়াতে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের
উল্লেখযোগ্য বিশেষ ভূমিকা লক্ষ্যণীয়। ১৪১৭ বঙ্গাব্দে "রবি"জলাধিপতি হওয়াতে এবং ৩০ শে মে শনি গ্রহের বক্রত্যাগের ফলে
বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই খরায় কাঙ্খিত ফলন ব্যহত হবে। গত ৩
বৎসরের তুলনায় এ বৎসর বিশ্ব বাজারে খাদ্য দ্রব্যের মূল্য উল্লেখ যোগ্য ভাবে বৃদ্দি
পাবে। খাদ্যে ২/৩ টি দেশ ব্যতীত কোন দেশই স্বয়ং
সম্পূর্ণ হতে পারবে না । ১৪১৭ বাংলায় খাদ্য নিয়ে রাজনীতি এবং অনেকটা
স্নায়ু যুদ্ধের প্রচার ও প্রসার ঘটবে।
এমনকি বিশ্বের অনেক দেশেই খাদ্য সংক্রানত্ম
বিষয়কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌছাবে। আমি
পূর্বেই উল্লেখ করেছি যে ২টি সূর্য্য ও ২ টি চন্দ্র গ্রহণ ১৪১৭ বঙ্গাব্দে সংঘঠিত
হবে যার ফলে একাধিক প্রাকৃতিক দূর্যোগ বিশ্ব বিবেককে চিনত্মায় ফেলবে। গত ৭৯
বৎসরের তুলনায় জান মালের ক্ষয় অপেক্ষাকৃত বেশি হবে। রাহু-শনি
মঙ্গলের একে অপরের প্রতি দৃষ্টি বিনিময় হেতু মানবতার ধারাবাহিকতায় বজায় রাখতে
গুনীজনের প্রচেষ্টা অটুট থাকলেও বুধ ও শনি গ্রহের অশুভ প্রভাবে মানবতা বিরোধীদের
তৎপরতায় সন্ত্রাস অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে এবং শানিত্ম প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হবে। ২০ শে
জুলাই বুধ গ্রহের মিথুনে সঞ্চারের ফলে বিশ্ব নেতৃ বৃন্দের ভাবধারায় পরিবর্তন ঘটবে। বিশ্বের
অধিকাংশ দেশ সমূহের মধ্যে পারস্পরিক সন্দেহে অসনেত্মাষ এবং মতদ্বৈততা বৃদ্ধি পাবে। আমেরিকায়
দ্বৈতনীতি অনেকের নিকট অস্বস্থির কারণ হবে। জাতিসংষের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ সর্বদা এবং এ
বৎসরও এর ব্যত্যয় ঘটবে না। ইরান, ইরাক,আফগানিসত্মান ও পাকিসত্মান , নাইজেরিয়া
কঙ্গো বিষয়ে তেমন কোন অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায় না। আফগানিসত্মান
ও পাকিসত্মানে সন্ত্রাস বৃদ্ধি পাবে এবং বহু জানমালের ক্ষতি হবে। উন্নয়নশীল
দেশ সমূহের উন্নতি, দেশের আভ্যনত্মরীন সমস্যায় ও আন্তর্জাতিক
চক্রান্ত ব্যহত হবে। ১৪১৭ বঙ্গাব্দে মধ্যপ্রাচ্যের জন্য অশুভ বৎসর
হিসাবে চিহ্নিত কেননা প্রাচ্যে মূসলিম দেশ সমূহের মধ্যে পারবারিক উন্নয়ন ও ঐক্যমতে
একাধিকবার ফাটল ধরার সম্ভবনা রয়েছে। শনি এবং নেপচুন গ্রহের অশুভ প্রভাবে খনিজ তৈল
রপ্তানীকারক দেশ সমূহের মতবিরোধ দেখা দিবে। বিশ্ব বানিজ্যে চীনের অগ্রযাত্রা পূর্বের
তুলনায় অপেক্ষাকৃত অনেক উন্নতি হবে। এ বৎসর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে চীনের
উন্নয়ন পরিলক্ষিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক ফাটলের
দিকে মোড় নিতে পারে। বুধ এবং বৃহস্পতি গ্রহের শুভ প্রভাবে ইউরোপীয়
দেশ সমূহের উন্নয়ন অব্যহত থাকবে। তবে বহুদেশে এ বৎসর জাতীয় কর বৃদ্ধির
সম্ভাবনা রয়েছে। লেটিন আমেরিকার বহু দেশে এ বৎসর প্রাকৃতিক
দূর্যোগ দেখা দিবে তবে তাহা ১৪১৬ বঙ্গাব্দের ন্যায় এত ভয়াবাহ হবে না। শুক্র
গ্রহের বারংবার শত্রুরাশিতেসঞ্চারের ফলে
মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার একাধিক দেশে সরকার পরিবর্তন যোগ বিদ্যমান। উপরন্তুআফ্রিকার দাঙ্গা-হাঙ্গামায় বহু জানমালের ক্ষতির সম্ভাবনা
রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে শান্তি আলোচনা
হলেও উন্নয়নের অগ্রগতির যোগ দেখা যাচ্ছে না। এশিয়াভুক্ত দেশ সমূহের মধ্যে উন্নয়নের
ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিকল্পনা সফলতা অর্জন করবে। শনি,প্লুটো ও মঙ্গল গ্রহের অশুভত্বে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ সমূহের
মধ্যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। ভারতে
বিচ্ছিন্নতাবাদীদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাবে। মনমোহন সিংয়ের সরকারের দূরদর্শীতা ও
বিচক্ষণতায় সংকট উত্তরণে সক্ষম হলেও বহু জানমালের ক্ষতি হবে। ১৪১৭বাংলায়
গ্রহ নক্ষত্রের তাৎপর্য্যপূর্ণ সমাবেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য
অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়। বিশেষ করে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নতুন আবিষ্কার
প্রশংসার দাবীদার হবে। ভূ-কম্পন, অগ্নিউত্তাপ,আগ্নেয়গিরির লাভা উদ্গীরণ, জলোচ্ছাস,আকস্মিক টর্নেডো, সুনামী
পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে জানমালের ক্ষতি হবে অধিকন্তুএকাধিক বিশ্ব বরেণ্য ব্যক্তির অপঘাতে মৃত্যুর আশংকা
বিদ্যমান।
নিচের তারিখ সমূহে সবাইকে
বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
২৬/৪/২০১০থেকে৩০/৪/২০১০ পর্যনত্ম।
১২/৫/২০১০থেকে১৬/৫/২০১০ পর্যনত্ম।
২৭/৫/২০১০থেকে২৯/৫/২০১০ পর্যনত্ম।
১০/৬/২০১০থেকে১৪/৬/২০১০ পর্যনত্ম।
২৪/৬/২০১০থেকে২৯/৬/২০১০ পর্যনত্ম।
০৯/৭/২০১০থেকে১৩/৭/২০১০ পর্যনত্ম।
২৩/৭/২০১০থেকে২৮/৭/২০১০ পর্যনত্ম।
০৮/৮/২০১০থেকে১১/৮/২০১০ পর্যনত্ম।
২২/৮/২০১০থেকে২৬/৮/২০১০ পর্যনত্ম।
০৬/৯/২০১০থেকে১০/৯/২০১০ পর্যনত্ম।
২১/৯/২০১০থেকে২৫/৯/২০১০ পর্যনত্ম।
০৬/১০/২০১০থেকে০৯/১০/২০১০ পর্যনত্ম।
২০/১০/২০১০ থেকে২৫/১০/২০১০ পর্যনত্ম।
০৪/১১/২০১০থেকে০৮/১১/২০১০ পর্যনত্ম।
১৯/১১/২০১০থেকে২৩/১১/২০১০ পর্যনত্ম।
০৪/১২/২০১০থেকে০৭/১২/২০১০ পর্যনত্ম।
১৯/১২/২০১০থেকে২৩/১২/২০১০ পর্যনত্ম।
০৩/০১/২০১১থেকে০৭/০১/২০১১ পর্যনত্ম।
১৭/০১/২০১১থেকে২১/০১/২০১১ পর্যনত্ম।
৩১/০১/২০১১থেকে০৪/০২/২০১১ পর্যনত্ম।
১৬/০২/২০১১থেকে২০/০২/২০১১ পর্যনত্ম।
০২/৩/২০১১থেকে০৫/৩/২০১১ পর্যনত্ম।
১৮/৩/২০১১থেকে২১/৩/২০১১ পর্যনত্ম।
০১/৪/২০১১থেকে০৫/৪/২০১১ পর্যনত্ম
উল্লেখিত তারিখ সমূহে সবাইকে সতর্ক
থাকার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হলো।
উল্লেখিত তারিখসমূহরে মধ্যে অপরাধ প্রবণতা, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, যানবাহনদূর্ঘটনা,জলোচ্ছস, ঘর্ণঝিড়, ভূ-কম্প, যুদ্ধ বগ্রিহ, অতবৃষ্টি, খরা, দ্রব্যমূল্য
বৃদ্ধিসহ বহুবধি অশুভ ঘটনার প্রভাব বৎসররে অন্যান্য তারখি সমূহঅপক্ষো বশে বৃদ্ধি পাবে এবং মানুষ সহ
জানমালরে প্রচুর ক্ষতি যোগ দৃষ্ট।তৎসঙ্গ খ্যাতমান
ব্যক্তরি মৃত্যু ঘটাও অসম্ভব নয়।
অষ্ট্রেলিয়া :
অষ্ট্রেলিয়ায় এ বৎসর দাবানলে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হবে, ফসল
উৎপাদন পূর্বের তুলনায় হ্রাস পাবে। আন্দোলন প্রকট রূপ ধারণ করবে। ক্রিকেটে
সুনাম কমে যাবে।ভূমিকম্প হওয়ার যোগ।
আমেরিকা : ১৪১৭ বঙ্গাব্দের
২টি সূর্য্য ও ২টি চন্দ্র গ্রহনের পর আমেরিকার অর্থনৈতিক অবস্থা ব্যাপক ভাবে হ্রাস
পাবে। সম্মুখে আগামী ২০ বৎসরের মধ্যে আমেরিকা
সাধারণ একটি অর্থনৈতিক দেশ হিসাবে পরিগণিত হবে। বেকারের
সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। আমেরিকানদের জীবন মান পূর্বের তুলনায় কয়েক
ধাপ নিচে নেমে যাবে। জনপ্রিয়তা হ্রাস পাবে। বারাক
ওবামাকে যথেষ্ট নিরাপত্তা নিয়ে থাকা উচিত, গুপ্ত
হত্যার চক্রানত্ম হতে পারে। আমেরিকাতেই বারাক ওবামার জনপ্রিয়তা হ্রাস
পাবে। প্রাকৃতিক দূর্যোগে দেশটির ব্যাপক ক্ষতি যোগ।
ল্যাটিন
আমেরিকা : মেক্সিকোর অর্থনৈতিক অবস্থান বৃদ্ধি পাবে। প্রাকৃতিক
দূর্যোগ বিশেষ করে ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষতির যোগ। সমাজে
অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে।
ব্রাজিলের অর্থনৈতিক অবস্থাও বেশ ভাল যাবে। তেমন
কোন অশুভ দৃষ্ট হয় নাই।
চিলি ও নিকারাগুয়ার অবস্থা পূর্ববৎ থাকবে।
ওয়েষ্টইন্ডিজ দ্বীপ সমূহের জন্য বিশেষ শুভ
পরিলক্ষিত হচ্ছে না। হুগো শ্যাভেজ সাহেবের জন্য বৎসরটি কঠিন যাবে। বিবিধ
প্রকার আন্দোলনের ও সমালোচনার পাত্র হবেন, তবে
দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থা ক্রমান্বয়ে উন্নতির দিকে যাবে। কলম্বিয়ার
গুপ্ত সংগঠন পুনরায় মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে। এ বৎসর ইউরোপের বিভিন্ন দেশ প্রাকৃতিক
দূর্যোগের শিকার হবে। স্পেন, গ্রীস,তুরস্কে অগ্নিকান্ডে ক্ষতির সম্ভাবনা। জার্মানী,ফিনল্যান্ড ও নরওয়ের অবস্থা সর্বদিক দিয়ে শুভ পাওয়া যাচ্ছে। নতুন
নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার অর্জন হলেও নকিয়া কোম্পানীর জন্য বৎসরটি
শুভ নহে। অন্যান্য মোবাইল ফোন কোম্পানীর সঙ্গে নকিয়া
কোম্পানীকে প্রতিযোগীতা করতে হবে।
গেট ব্রিটেনের অবস্থা বড়ই করুন ও মর্মানিত্মক। মন্ত্রীদের
দূর্নীতি প্রকাশ পাবে। দেশটির অর্থনৈতিকঅবস্থা বেশ দূর্বল হবে। সন্ত্রাসী
হামলাসহ যানবাহন দূর্ঘটনা এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বহুপ্রাণ বহু মাল নাশ যোগ। ভারতীয়দের
আধিপত্য বিসত্মার ঘটবে পক্ষান্তরে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুতরা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন
হবেন। ইউনাইটেড আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের জন্য
যথার্থ কোন কিছুই শুভ দৃষ্ট হয় নাই। গোটা আরব বিশ্বেই ব্যাপক প্রাণ হানী ঘটবে। ইসরাইল,ফিলিস্তিনের অবস্থা বড়ই করুণ হবে। ব্যাপক
প্রাণহানী যোগ। লেবানন সিরিয়া ও মিশরের অবস্থা যথার্থ কিছু
ভাল দৃষ্ট হয় নাই।
লিবিয়া, তিউনেশিয়া
ও আলজেরিয়ার অবস্থা অপেক্ষাকৃত ভাল। নাইজেরিয়া, কঙ্গো,জিম্বাবুয়ের অবস্থা বেশ নাজুক হবে।
১৪১৭ বঙ্গাব্দেবাংলাদেশের পরিস্থিতি
নির্জল রাশি ধনুস্থদহন নাড়ীগত বক্রী "রুদ্র",নির্জল রাশি সিংহস্থঅমৃতা
নাড়ীগত দহন নাড়ীর অধিপতি ও বাংলাদেশের রাশির অধিপতি শুষ্ক গ্রহ "মঙ্গল"নির্জল রাশি মেষস্থচন্ডা
নাড়ীরগত সৌম্য নাড়ীর অধিপতি সাম্যগ্রহ বৃহস্পতি দ্বারা পরিদৃষ্ট,সজল রাশি কুম্ভস্থজলা
নাড়ীগত বক্রী "হার্সেল" নির্জল
রাশি মিথুনস্থনীরা নাড়ীগত নীরা নাড়ীর অধিপতি অদৃশ্য গ্রহ
কেতু ও জলা নাড়ীর অধিপতি সাম্যগ্রহ বুধ নির্জল শুষ্ক রাশিস্থবুধ মেষে, এছাড়া ত্রিনাড়ী
চক্রানুসারে আদ্য নাড়ীগত বুধ, শুক্র,কেতু, বক্রী রুদ্র ও বক্রী
হার্সেল। মধ্য নাড়ীগত রবি,চন্দ্র, বক্রী নেপচুন ও রাহু
এবং অন্তনাড়ীগত শনি, মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহ। বৃশ্চিক
রাশির অন্তর্গত বাংলাদেশের জন্য ১৪১৭ বাংলা সন যথেষ্ট দূর্যোগপূর্ণ বলে মনে হয়। বৎসরের
শুরুতেই বৃহস্পতি ও মঙ্গল গ্রহের বিশেষ অশুভত্বের জন্য প্রায় সমস্ত বৎসরই জঙ্গিবাদ,সন্ত্রাসী তৎপরতায় এবং প্রাকৃতিক দূর্যোগে রক্তপাত ও
লোকক্ষয় হবেই হবে। পুরো বৎসরই কোন না কোন ইস্যু নিয়ে সরকারকে
বিব্রত থাকতে হবে। ২৬ শে এপ্রিল বৃহস্পতি গ্রহের কুম্ভ রাশি হতে
মীন রাশিতে সংক্রমন এর জন্য সূচিনিত্মত পরিকল্পনা ও দূরদর্শীতায় সরকার অধিকাংশ
ক্ষেত্রেই সুষ্ঠু সমাধানে সক্ষম হবেন। ২রা জুন ২০১০ বুধ গ্রহের বৃষরাশিতে সঞ্চার, ৮ই জুন
২০১০ শুক্র গ্রহের কর্কট রাশিতে সঞ্চার এবং ১১ই
জুন শুক্র গ্রহের পুষ্যা নক্ষত্রে সঞ্চার০৮ই জুন হতে শুক্র গ্রহের পর্য্যায়ক্রমে অরিগৃহে (শত্রু
গৃহে) সঞ্চার এর ফলে অর্থাৎ শত্রু রাশিতে সঞ্চারের ফলে পারিপার্শ্বিকতার অবনতি
ঘটবে বা ঘটাবে। গুপ্তহত্যা, প্রকাশ্য
হত্যা, আইন শৃংখলা বাহিনীর অনৈতিক ব্যক্তির সাহায্য সহযোগীতায় জন
সম্মুখে হত্যা, নিষিদ্ধ ঘোষিত ও স্বঘোষিত গুপ্ত সংগঠন ও
মৌলবাদী চরমভাবে বৃদ্ধি পাবে। যাহা ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে। দেশী
এবং বিদেশী উস্কানীমূলক তৎপরতা বৃদ্ধি পাবে এবং বহু প্রকার ও নানা রকম অরাজকতা
সৃষ্টিতে বিশেষ এবং অবিশেষ মহল তৎপরতা চালাবে। কেননা
শুক্রগ্রহ তড়িগড়ি সিদ্ধান্ত গ্রহনের এবং বাস্তব রূপকার হিসাবে জ্যোতিষ শাস্ত্রে
পরিচিত। বুধ গ্রহের একাধিকবার বক্রত্বের কারণে ও শনি
গ্রহের "বুধ গ্রহের" অধিপতি
রাশি "কন্যাতে" অবস্থানের ফলে
সন্ত্রাস, ছিনতাই, ডাকাতি,রাহাজানি কঠিন ও চরম পর্যায়ে উঠবে যাহা বুদ্ধিজীবি,ব্যবসায়ী, পেশাজীবি,সকল সুষ্ঠ শ্রেণীর নাগরিক ও প্রগতিশীল মহলকে ভাবিয়ে তুলবে। সরকার
যদি এগুলি বন্ধ না করতে বা প্রতিকার করতে সক্ষম না হন তবে সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা
হ্রাস পাবে এবং পরবর্তিতে এর সূদুর প্রসারী কুফল বয়ে আনবে। এ বৎসর
অর্থাৎ ১৪১৭ বাংলা বাংলাদেশে দলীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রকার জটিলতা এবং
প্রায়োগিক চিনত্মা চেতনায় বিভেদ ও মত পার্থক্যের জন্য বেশ কয়েকজন প্রভাব
প্রতিপত্তিশালী স্বনামধন্য সর্বজন পূজ্যনীয় রাজনৈতিক নেতার দল পরিবর্তন এবং নতুন
দল গঠনের সম্ভাবনা পরিলক্ষিত হয়।৬ই আগস্ট ২০১০ মঙ্গল গ্রহের ও
শুক্র গ্রহের, ১৩ই আগস্ট হস্তা নক্ষত্রে সঞ্চার
এবং ৭ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার মঘা নক্ষত্রে অমাবস্যা সিদ্ধিযোগে হওয়াতে রাজনৈতিক অঙ্গনকে উত্তপ্ত
করবে।সংসদীয়
কার্যক্রম নিয়ে তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করবে। বিরোধী দলের চিনত্মা চেতনার পরিবর্তন হবে না,বারংবার সংসদ বর্জন করবে। ক্ষমতাসীন
দলের ঈর্ষাপরায়ণ নেতার অপ্রাসঙ্গিক আচরণ সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলবে। রাজনৈতিক
অঙ্গনে থাকবে অরাজকতা, বিশৃংখলা যাহা ভবিষ্যতে এ শাসক দলের জন্য চরম
অমঙ্গল বয়ে আনবে। এতদসত্ত্বেও ২রা সেপ্টেম্বর শুক্র গ্রহের
স্ব-গৃহে সঞ্চার এবং চন্দ্রের শুভ প্রভাবে সরকার প্রধানের বিচক্ষণতায় প্রতিকুলতা
নিরসনে সক্ষম হওয়ার সম্ভাবনা। উন্নয়ন কর্মকান্ড অগ্রগতি হবে,দেশ বিদেশে সম্মান বৃদ্ধি পাবে। মন্ত্রী
পরিষদে রদবদল হবে। কিছু কিছু প্রাক্তন নেতার আবির্ভাব ঘটবে। সিটি
কর্পোরেশনের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার যোগ বিদ্যমান।
১৪১৭ বাংলা সনে রবি শস্যের
নিয়ন্ত্রণ কারক গ্রহ হওয়াতে বৃষ্টির পরিমাণ কম পরিলক্ষিত হয়। অনাবৃষ্টি,খরা ও সময়োপযোগী বৃষ্টির অভাবে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে। সরকার
কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রশংসনীয় উদ্যোগ প্রকৃতির বিরূপ আচরণে ম্লান হবে। নেপচুন
গ্রহের প্রভাবে অযাচিত ভাবে স্থান বিশেষে বন্যা ও পাহাড়ী ঢলে ফসল হানীর সম্ভাবনাও
রয়েছে। অসাধু মহলের অপতৎপরতায় কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির
মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাবে। উত্তরাঞ্চলে ও মঙ্গা পীড়িত এলাকায় জনজীবনে
বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। অক্টোবর পরবর্তি সময়ে পরিস্থিতির অনেকাংশে
উন্নতি ঘটবে। রাহু এবং কেতুর ক্রর রাশিতে অবস্থানে
আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বৃদ্ধি পাবে তৎসঙ্গে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে। হিংসা,বিদ্বেষ, অনিয়ম ও
স্বেচ্ছাচারিতা বৃদ্ধি পাবে। এ বৎসর শনি, রাহু,কেতু শত্রু রাশিতে অবস্থান করাতে বাহন দূর্ঘটনা আশংকাজনক
হারে বৃদ্ধি পাবে। বজ্রপাত, ঘুর্ণিঝড়,টর্নেডো ও শৈত্যপ্রবাহে বহু প্রাণ হানীর যোগ,এন,জিওদের উন্নয়ন কর্মকান্ড প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার
সম্ভাবনা রয়েছে। যুব উন্নয়ন, জন্ম
নিয়ন্ত্রণ, নারী আন্দোলন ও উন্নয়ন,নারী কর্তৃক পরিচালিত এন,জি,ও এবং সেবামূলক
প্রতিষ্ঠান, ও নিরক্ষরতা দূরীকরণে প্রশংসনীয় সাফল্য
অর্জিত হবে। ঢাকা থেকে উত্তর পশ্চিম দিকের কোন জেলার
(যেমন - কিশোরগঞ্জ, গাজীপুর, ময়মনসিংহ)
এন.জি.ও প্রতিষ্ঠান যাহা প্রভাবশালী কোন স্পষ্টবাদী মহিলা কর্তৃক পরিচালিত অদূর
ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের কল্যাণের জন্য কাজ করে দেশে বিদেশে যথেষ্ট সুনাম অর্জনে
সক্ষম হবেন।২৫শে জুলাই রবিবার পূর্ণিমা বিষকুম্ভ যোগে হওয়াতে এবং ১০ই
আগস্ট মঙ্গলবার কর্কট রাশিতে অমাবস্যা ও ব্যাতীপাত যোগ সূচীত হওয়ায় (ব্যতীপাত
যোগে অমবস্যা অশুভ) হওয়ায় একাধিক বরেণ্য ব্যক্তি
সন্ত্রাসী হামলার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা।তাছাড়া
বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতার কারাভোগলক্ষ্য করা যায়।
নিচের তারিখ সমূহে সকলকে বিশেষ
সতর্ক থাকার জন্য পরামর্শ দেওয়া গেল।
২৬/৪/২০১০থেকে৩০/৪/২০১০ পর্যনত্ম।
১২/৫/২০১০থেকে১৬/৫/২০১০ পর্যনত্ম।
২৭/৫/২০১০থেকে২৯/৫/২০১০ পর্যনত্ম।
১০/৬/২০১০থেকে১৪/৬/২০১০ পর্যনত্ম।
২৪/৬/২০১০থেকে২৯/৬/২০১০ পর্যনত্ম।
০৯/৭/২০১০থেকে১৩/৭/২০১০ পর্যনত্ম।
২৩/৭/২০১০থেকে২৮/৭/২০১০ পর্যনত্ম।
০৮/৮/২০১০থেকে১১/৮/২০১০ পর্যনত্ম।
২২/৮/২০১০থেকে২৬/৮/২০১০ পর্যনত্ম।
০৬/৯/২০১০ থেকে১০/৯/২০১০ পর্যনত্ম।
২১/৯/২০১০থেকে২৫/৯/২০১০ পর্যনত্ম।
০৬/১০/২০১০থেকে০৯/১০/২০১০ পর্যনত্ম।
২০/১০/২০১০থেকে২৫/১০/২০১০ পর্যনত্ম।
০৪/১১/২০১০থেকে০৮/১১/২০১০ পর্যনত্ম।
১৯/১১/২০১০থেকে২৩/১১/২০১০ পর্যনত্ম।
০৪/১২/২০১০থেকে০৭/১২/২০১০ পর্যনত্ম।
১৯/১২/২০১০থেকে২৩/১২/২০১০ পর্যনত্ম।
০৩/০১/২০১১থেকে০৭/০১/২০১১ পর্যনত্ম।
১৭/০১/২০১১থেকে২১/০১/২০১১ পর্যনত্ম।
৩১/০১/২০১১থেকে০৪/০২/২০১১ পর্যনত্ম।
১৬/০২/২০১১থেকে২০/০২/২০১১ পর্যনত্ম।
০২/৩/২০১১থেকে০৫/৩/২০১১ পর্যনত্ম।
১৮/৩/২০১১থেকে২১/৩/২০১১ পর্যনত্ম।
০১/৪/২০১১থেকে০৫/৪/২০১১ পর্যনত্ম
উল্লেখিত তারিখ সমূহে সবাইকে সতর্ক
থাকার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হলো।
উল্লেখিত তারিখ সমূহরে মধ্যে অপরাধ প্রবণতা, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, যানবাহনদূর্ঘটনা, জলোচ্ছস, ঘর্ণঝিড়, ভূ-কম্প, যুদ্ধ বগ্রিহ, অতবৃষ্টি, খরা, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ বহুবধি অশুভ ঘটনার
প্রভাব বৎসররে অন্যান্য তারখি সমূহঅপক্ষো বশে বৃদ্ধি পাবে এবং মানুষ সহ জানমালরে প্রচুর ক্ষতি যোগ দৃষ্ট।তৎসঙ্গ খ্যাতমান ব্যক্তরি মৃত্যু ঘটাও অসম্ভব নয়।
১৪১৭ বাংলা
সনে শস্য উৎপাদন
১৪১৭ বঙ্গাব্দে রবি জলাধিপতি হওয়াতে এবং বুধ
গ্রহ শস্যাধিপতির নিয়ন্ত্রক হিসাবে বিচার প্রাকৃতিক ভারসাম্যতা রক্ষায় সময়োপযোগী
বৃষ্টি, অনাবৃষ্টি অতি বৃষ্টি বহুলাংশে নির্ভর করে। বৃষ্টি
পাতের অগ্রীম আভাষ মানুষকে প্রকৃতির আনুকল্য কিংবা বৈপরিত্য মোকাবেলায় সর্বদাই
বহুলাংশে সাহায্য/সহায়তা করে। বর্তমান বৎসরে জলাধিপাতি রবি,ফলশ্রুতিতে খরায় বৎসর অতিক্রম করতে হবে। ১৪১৭
বাংলায় জ্যৈষ্ঠ, শ্রাবণ, আশ্বিন
ও মাঘ মাস পাঁচটি করে "রবিবার"থাকায় বৃষ্টি পাতের পরিমান অনেক কম থাকবে। গত
বৎসরের তুলনায়ও অনেক কম বৃষ্টিপাত হবে। বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনে "রবি-র"ভূমিকাই মূখ্য। শুধু বাংলাদেশেই নয় বিশ্বের সর্বত্র এবং শস্য
উৎপাদন বিগত ১১ বৎসরের তুলনায় অনেক কম হবে। আবার বুধ গ্রহ শস্যাধিপতি হওয়াতে ফসলে পোকার
আক্রমণ বৃদ্ধি পাবে। যা ফসল হওয়ার সম্ভাবনা তাও আবার পোকার
আক্রানত্ম হবে। বাংলাদেশ সরকারের কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন
প্রশংসনীয় উদ্যোগ প্রকৃতির বিরূপ আচরণে ম্লান করে দিবে। খাদ্য
শস্যের মূল্য বিগত বৎসরের তুলনায় বৃদ্ধি পাবে। অধিকন্তুদ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বিষাক্ত
খাদ্য, বিবিধ প্রতিষ্ঠানের অসাধুতা জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার করবে। রবি
জলাধিপতি হওয়াতে পানির স্তর বহু নিচে নেমে যাবে। সঠিক
সময়ে পানি পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। আবার সুপেয় পানির বড়ই অভাব দেখা দিবে। শুক্র
গ্রহের বারংবার শত্রুগৃহে সঞ্চারের ফলে একশ্রেণীর রাজনৈতিক নেতা নেত্রীরা পানি
নিয়েও রাজনীতি ও সিন্ডিকেট তৈরী করবে। দেশের জনগণ যদি সচেতন হয় এবং পানির অপচয় এবং
অপব্যবহার রোধ করেন তবে কিছুটা হলেও জনমনে স্বসিত্ম ফিরে আসবে সন্দেহ নেই।
বাংলাদেশের রাজনীতি
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে অদ্যাবধি কোন স্থীতিশীল
পরিস্থিতি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায় না, লক্ষিত
হয় নাই। দেশের রাশি বৃশ্চিক,অধিপতি গ্রহ "মঙ্গল",
"মঙ্গল গ্রহ-দাঙ্গা, হাঙ্গামা,যুদ্ধ, বিগ্রহ,উগ্রমেজাজ, উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়,হরতাল রাহাজানি, রক্তপাত,গুপ্ত হত্যা, লুন্ঠন
সহ বহুবিধ অশুভ কর্মের নিয়ন্ত্রক গ্রহ। স্বাধীনতার পর থেকেই আমরা তাহা লক্ষ্য করছি। তবে
সবচেয়ে সুখবর হচ্ছে আগামী ১৯ বৎসরের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫০ তম উন্নয়নশীল ধনী
দেশ সমূহে উন্নত হবে। আমাদের নতুন প্রজন্ম দেশের শাসন ভার গ্রহণ
করবে এবং দেশকে উন্নতির কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে সক্ষম হবেন। দেশ
স্বাধীনের ৪২ বৎসর পর থেকে মঙ্গল গ্রহের অশুভ প্রভাব কিছুটা হলেও কেটে যাবে। শেখ
হাসিনার পুত্র "সজীব ওয়াজেদ জয়"নতুন করে দেশের প্রত্যক্ষ্য রাজনীতিতে নাম লিখিয়েছেন। এভাবে
বহু তরুণ/তরুণী রাজনীতিতে জড়িত হয়ে দেশের জনগনের জন্য কল্যাণকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে
দেশের যথেষ্ট উন্নতি সাধন করবেন।
৪০ বৎসর বয়স প্রতিটি মানুষের
জন্য (বিশেষ করে মুসলমানদের জন্য) খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বয়স। এই
বয়সটি জীবনের টার্নিং পয়েন্ট হিসাবে চিহ্নিত। এই বয়সে
যদি কেউ ভুল বা অন্যায় করে থাকেন তবে তার মাশুল আজীবন দিতে হবে। সজীব
ওয়াজেদ জয় সাহেবের বয়স এখনও ৪০ এ পদার্পণ করেননি, আশা করি
তিনিও যেন ৪০ বৎসর বয়সে বিন্দুমাত্র ভুল না করেন। তাহাতে
তাঁহারই মঙ্গল নিহিত। (যদি পরমায়ু শুভ হয়)। আর যদি
ভুল করেন তবে পূর্বের আরেক তরুণ রাজনীতিবিদের মতই হয়তো তাঁর অবস্থা হওয়াও অসম্ভব
নয়।
১৪১৭ বাংলায় বাংলাদেশের রাজনীতির অবস্থা বড়ই
করুন। সরকারী দলকে বিরোধীরা কোন না কোন ইস্যু নিয়ে
ব্যস্ত করে রাখবেন। আবার সরকারী দলের এম.পি,মন্ত্রীরাও দলের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টি করবে। ধর্মঘট,অগ্নিসংযোগ, হরতাল এ
বৎসর বেশি হওয়ার যোগ পরিলক্ষিত।
ব্যবসা-বাণিজ্য
শনি গ্রহের অরিগৃহে (শত্রুগৃহে) অবস্থান
শুক্র গ্রহের একের পর এক শত্রুগৃহে বা শত্রুরাশিতে সঞ্চার এবং মঙ্গল গ্রহের বিভিন্ন
গ্রহের প্রতি পূর্ণদৃষ্টি থাকাতে ১৪১৭ বাংলা সনে বাংলাদেশের জন্য ব্যবসা বাণিজ্য
তেমন বিশেষ শুভ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। বিশেষ করে শুক্র গ্রহের অশুভ প্রভাবে তৈরী
পোশাক শিল্পের ব্যবসার ধ্বস নামবে। বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জনপ্রিয়তাহ্রাসপাবে। এ বৎসর গার্মেন্টস সেক্টরে সর্বদাই অরাজকতা
বিরাজ করবে। বহু গার্মেন্টস অগ্নির দ্বারা ক্ষতি গ্রস্থ
হবে। নীরা নাড়ির অধিপতি মঙ্গল ও নেপচুন গ্রহ
ব্যবসা বাণিজ্যের গৃহে (রাশিতে) অবস্থান করায় অনেক গার্মেন্টস মালিক বিনিয়োগ আস্থা
হারিয়ে ফেলবেন। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের জন্য উৎপাদন বারংবার
ব্যহত হবে। বিদেশী কোম্পানী সমূহ ব্যবসা সংকোচন করে
ফেলবে অধিকন্তুঅনেক বিদেশী প্রতিষ্ঠান বন্ধের উপক্রম হবে। গার্মেন্টস
সেক্টরে রাজনীতির প্রভাব পড়বে।
মৎস রপ্তানীর ক্ষেত্রেও ঠিক একই অবস্থা বিরাজ
করবে। তবে লবনাক্ত পানির মৎস ব্যবসা দেশে ও বিদেশে
সুনাম অর্জনে সামর্থ হবে। বৃহস্পতির রাশিতে রাহু ও বুধ গ্রহের রাশিতে
কেতুর অবস্থানের ফলে ধাতব ব্যবসায় বিশেষ করে রড, সিমেন্ট,জাহাজ নির্মাণ ব্যবসায় পূর্বের বৎসরের তুলনায়এ বৎসর অধিক ব্যবসা হওয়ার সম্ভাবনা। বিদেশে
রপ্তানীও হবে। খাদ্য শস্যের ব্যবসা উৎপাদন কম হওয়াতে বিশেষ
অশুভ। ঔষধ ব্যবসা সর্ব্বদিক দিয়ে শুভ বলা চলে এমনকি
আয়ুর্বেদিক ঔষধ, গাছ, গাছড়া
লতা গুল্মও বিদেশে রপ্তানী করে জাতীয় অর্থনীতিতে বিশেষ সহায়ক ভূমিকা রাখতে সক্ষম।
সমাজ ব্যবস্থা পূর্বের
বৎসরের তুলনায় অপেক্ষাকৃত খারাপ। জনমনে শান্তি ও স্বস্তি ক্রমশঃ ক্রমান্বয়ে
হ্রাস পাবে। উচ্চবিত্তদের (!) ছত্রছায়ায় লোক সমাজে অপরাধ
প্রবণতা তীব্রভাবে বৃদ্ধি পাবে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এদের কঠোর হস্তে দমন করতে
হিমশিম খাবে সন্দেহ নেই। পরোক্ষ অপেক্ষা প্রকাশ্য খুন-খারাবি বৃদ্ধি
পাবে। চন্দ্র রাজা হওয়াতে সড়ক,বিমান, নৌ দূর্ঘটনা,রেল দূর্ঘটনা ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পাবে।
গত বৎসরের তুলনায় এ বৎসর যেমন আত্মহত্যার
প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে তদ্রুপ তালাক প্রথাও বৃদ্ধি পাবে। উচ্চবিত্ত
পরিবার সহ সমাজের প্রায় সর্বসত্মরের রমণীরা "জীবনের
দামে কেনা জীবিকা" গত বৎসরের তুলনায় এ বৎসর ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি
পাবে। দারিদ্রতা পূর্বের ন্যায় থাকবে। মে
মাসের প্রথম সপ্তাহের দিকে উন্নতির সূচক ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাবে। কৃষকদের
অবস্থা বড়ই করুণ।
গ্রামীণ জনপদে সমাজ ব্যবস্থার বিধি বিধান
পূর্বের তুলনায় হ্রাস পাবে এবং তাহাতে শহর আমেজ বৃদ্ধি পাবে। কিছু
নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করে দিলাম। উক্ত তারিখ সমূহে সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য
অনুরোধ করছি।
বিশেষ
বিচার শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য
গ্রহ নক্ষত্রের পরবর্তী ১৯ বৎসরের
তাৎপর্য্যপূর্ণ অবস্থানের ফলে বুঝা যায় যে পরবর্তী ২০ বৎসরের মধ্যে বাংলাদেশ
বিশ্বের ৫০ তম ধনী দেশের অনত্মর্ভুক্ত হবে। বসুন্ধরা গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজ
হবে দেশ গঠনের বৃহৎ প্রতিষ্ঠান। দঃ কোরীয়ার হুন্দাই
কোম্পানীর ন্যায় "বসুন্ধরা গ্রুপ"হবে বিল্ডার অব বাংলাদেশ" নামে
খ্যাত। যমুনা গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজ এর প্রায়
প্রতিটি প্রতিষ্ঠান কোন না কোন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আব্দুল
মোনায়েম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ (সাময়িক),কেয়া গ্রুপ, মুন্নু
গ্রুপ, বিশেষ ভাবে শুভ পরিলক্ষিত হচ্ছে। দেশ গঠনে
তাঁদের ভূমিকা বড় ধরনের অবদান রাখতে সক্ষম হবেন। মৌসুমী
গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজের অন্তর্কলহ বিশেষ ভাবে ক্ষতিগ্রস্তের সম্ভাবনা। চামড়া ও
পাট এমনকি বস্ত্রজাত ব্যবসা বাণিজ্য অদূর ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের
ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। এন.জি.ও প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে বৃহৎ এন.জি.ও
প্রতিষ্ঠান প্রশ্নের সম্মুখীন হবেন। মানুষের জীবন যাত্রায় মান বৃদ্ধি পাওয়াতে
অধিকাংশ মানুষই এন.জি.ও প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্ত হবে না। ক্রমান্বয়ে
এন.জি.ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষ বিরাগ ভাজন হবেন।
ব্যাংকিং সেক্টর অতীব শুভ। বহু
বাংলাদেশী ব্যাংক বিদেশের মাটিতে শাখা খুলে দেশের গৌরব বৃদ্ধির সহায়ক ভূমিকা রাখবে। ইসলামী
ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক এর উত্তোরত্তর সমৃদ্ধি
অন্যান্য ব্যাংক সমূহের জন্য ঈর্ষার কারণ হবে। ইনসিওরেন্স
সেক্টরও বেশ শুভ পরিলক্ষিত। লাইফ ইনসিওরেন্স ও জেনারেল ইনসিওরেন্স এর
ব্যবসা ক্রমশঃ বৃদ্ধির দিকে যাবে তবে ইউনাইটেড ইনসিওরেন্স,ইউনাইটেড লিজিং এবং এই প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য অঙ্গ
প্রতিষ্ঠান হয় মালিকানা পরিবর্তন হবে নতুবা বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কেননা "বাস্তুশাস্ত্র"মতে উক্ত প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা সম্পূর্ণ নির্মাণ কাজ "বাস্তুশাস্ত্রের"বিপরীতে নির্মিত। প্লিজ আমার ওয়েব
সাইটের "বাস্তুশাস্ত্র"দেখুন। রসায়ন, প্রকৌশলী,প্রযুক্তি ও কৃষিজ দ্রব্যে বাংলাদেশ অদূর ভবিষ্যতে বিশ্ব
বাজারে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হবেন। আইটি সেক্টরে বাংলাদেশ আগামী ২০ বৎসরের মধ্যে
যথেষ্ট অগ্রগতি অর্জনে সক্ষম হবেন। বাংলাদেশের আইটি বিশেষজ্ঞরা বহির্বিশ্বে
সুনাম অর্জনের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির যথেষ্ঠ বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে
সক্ষম হবেন। নতুন নতুন তথ্য প্রযুক্তি আবিষ্কারক বাংলাদেশ
থেকে সৃষ্টি হবে। আইটি সেক্টরে বিনিয়োগ লাভজনক প্রতিষ্ঠানে
পরিণত হবে এবং বিদেশী বহু স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান এদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ
প্রকাশ করেন। হ্যান্ডলুম বা তাঁত শিল্পেরও প্রসারতা বিশেষ
লক্ষ্যনীয়। যতই দিন যাবে ততই মানুষ প্রাকৃতিক ঔষধ
ব্যবহারে অভ্যস্থহবেন। এমনকি এদেশ থেকে আয়ুর্বেদিক,হারবাল ঔষধ বিদেশে রপ্তানী হবে। সর্বোপরি
আগামী ২ বৎসর পর থেকে দেশের অবস্থা ক্রমান্বয়ে উন্নতির দিকে যাবে। পরিবহন,রাস্তা-ঘাট-এ বর্তমানে যে জানযট দেখা যাচ্ছে তা বহুলাংশে
হ্রাস পাবে। দেশের সামরিক বাহিনী চরম উন্নতি সাধন করবেন। নতুন
নতুন প্রযুক্তিগত সমরাস্ত্র বাংলাদেশেই প্রস্তুত হবে। বিদ্যুতের
ক্ষেত্রেও এ দেশের বিজ্ঞানীরা নতুন নতুন স্বল্প ব্যায়ে পাওয়ার হাউজ তৈরী করতে
সক্ষম হবেন। তবে কথা হলো উল্লেখিত সব কিছুই আরও দ্রুত
গতিতে হবে যদি "বাস্তুবিধান" মতে
প্রতিটি স্থাপনা নির্মাণ করা যায়। বিশেষ করে ভূমির দোষ নাশ করে। আসুন
আমরা সবাই মিলে বিদেশী পণ্য বর্জন করি, দেশীয়
পণ্য ব্যবহার করে দেশের অর্থনীতিতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করি। গর্ব
করে বলুন আমি "বাংলাদেশী"। এই
পণ্যটি বাংলাদেশের তৈরি বা "মেইড ইন
বাংলাদেশ"।
সর্ব্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্ত্তার সৃষ্ট প্রাকৃতিক সম্পদের আপনার দ্বারা
যেনকোন প্রকার
ব্যত্যয় না ঘটে এই শুভ কামনায় বাংলাদেশ ভূ-খন্ডে বসবাসকারীরপক্ষ থেকে বিশ্ব-মানব সভ্যতার প্রতি
কল্যাণময় প্রার্থণা জানাচ্ছি।