১৪১৫ বঙ্গাব্দে বাংলাদেশের পরিস্থিতী
বর্তমান বৎসরে বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে "মঙ্গল গ্রহ রাজা" শুক্রগ্রহ মন্ত্রী। বৃশ্চিক রাশির অন্তর্গত বাংলাদেশ। এই রাশির অধিগতি গ্রহ মঙ্গল, চন্দ্র বৃশ্চিক রাশিতে নীচস্থ্য অর্থাৎ অশুভ অবস্থায় থাকে ফলশ্রুতিতে ১৪১৫ বঙ্গাব্দ বাংলাদেশের জন্য বিশেষ অশুভপ্রদ বৎসর হিসোবে চিহ্নিত। ১৯৭১ সালের আভাষ পাওয়া যাচ্ছে। বর্ষারম্ভে অর্থাৎ ১লা বৈশাখ সোমবার রবি মেষ রাশিতে, চন্দ্র মেষ রাশিতে, মঙ্গল মিথুনে, বুধ মেষে, বৃহস্পতি ধনুতে, শুক্র মীনে, শনি ও কেতু সিংহে এবং রাহুর অবস্থান কুম্ভ রাশিতে অবস্থান করাতে বিভিন্ন সমস্যাবহুল, বৈচিত্রপূর্ণ, সংযাতময় ও দূর্যোগপূর্ণ বৎসর বাংলাদেশের জন্য। ২৮শে অক্টোবর মঙ্গলবার, অমবস্যা তাও আবার রাহুর নক্ষত্রে অর্থাৎ ¯^vZx নক্ষত্রে তার উপর বিষ্কুম্ভ যোগ হওয়াতে বিবিধ প্রকার ঘাত-প্রতিঘাত, জটিলতর সমস্যা, হিংসাত্মক পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হবে তৎসঙ্গে স্মরণ করিয়ে দিবে বর্তমান প্রজন্মে ১৯৭১ খৃীষ্ঠাব্দের কথা, তাঁরা দেখতে ও বুঝতে সক্ষম হবে যে ১৯৭১ এ কি ঘটেছিল। তমগুন সম্পন্ন বাংলাদেশ ¯^vaxbZvi পর থেকে অদ্যাবদি ক্ষণে স্থির ক্ষণে অস্থির। কখনো শুভ আবার কখনো অশুভ। এটা চলবে আজীবন যদি না বস্তুশাস্ত্র মতে দেশকে সংশোধন করা না হয়। বৈশাখ মাসে দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে সন্দেহ নেই কেননা ১১ই বৈশাখ শুক্র গ্রহ মেষে সঞ্চার করবে অশ্বিনী নক্ষত্রে তৎপূর্বে বুধ গ্রহের সঞ্চার ভরণী নক্ষত্রে ৬ই বৈশাখে। পক্ষান্তরে বৃহস্পতি গ্রহ ক্ষিপ্র গতি দ্বারা মকরে গমনের পর বাংলাদেশের জন্য চরম বিপদকাল সময় হিসাবে দৃষ্ট। একের পর এক রাজনৈতিক অসন্তোষ, হিংসা, রাহাজানি, বিদ্বেষ, কঠিন ও জটিল ষড়যন্ত্র, গুপ্তহত্যা তৎসঙ্গে অদৃশ্য শক্তির বিভিন্ন ধরনের অশুভ প্রভাব দেশের মানুষকে হতচকিত করে তুলবে। সুযোগ সন্ধানী মহল সুযোগ এর ¯^v_v©‡š^lx সদ্ব্যবহারের জন্য সক্রিয় হয়ে উঠবে। বিদেশী গোষ্ঠীর প্রত্যক্ষ সাহায্যে মৌলবাদী গোষ্ঠীর চরম ভয়াবহতা ১৪১৫ বঙ্গাব্দে রুদ্ররূপ ধারন করতে পারে। ১৪ই বৈশাখ বুধ গ্রহের কৃত্তিকা নক্ষত্রে সঞ্চারের পর প্রতিক্রিয়াশীলদের সঙ্গে প্রগতিশীলদের সহিংসতা চরম অশুভ রূপ ধারণ করবে। ১২ই আগষ্ট মঙ্গলবার একাদশী ১৯ নং মূলানক্ষত্রে হওয়াতে প্রশাসনিক কাজে দক্ষ বিচক্ষণ, বুদ্ধীমান নির্ভিক কর্ণধার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমগ্র দেশবাসীর সাহায্য সহযোগীতায় অদৃশ্যশক্তির প্রসারিত কৃষ্ণ থাবাকে চুরমার করে দিয়ে প্রিয় মাতৃভূমি বঙ্গদেশকে অনাকাংখিত ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হবে এবং জনগনের মনে শান্তি ও ¯^w¯" ফিরে আসবে। আগষ্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে শনি গ্রহের পশ্চিম দিকে অস্তমিততার জন্য দেশের প্রতিটি সেনা ব্যারাকের প্রতি এবং গোলাবারুদ রক্ষণা বেক্ষন স্থানে সরকারকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিতে হবে। শনি ও বুধ গ্রহের জানুয়ারী ২০০৯ সালে বক্রীরূপ এর ফলে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন পূনরায় উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। বিদেশী শক্তির ষড়যন্ত্র ক্রমশ দানা বাধতে থাকবে। দ্রব্যমূল্য µgvš^‡q বৃদ্ধি পেতে থাকবে। টাকার বারংবার অবমূল্যায়ন হবে। দূর্নীতি দমনে সরকার ব্যার্থ হবে অধিকন্তু দূর্নীতির পরিমান পূর্বাপেক্ষা বেশী একটু হওয়ার সম্ভাবনা। এ বৎসর মঙ্গল গ্রহ রাজা হওয়াতে সূর্যতাপেক প্রসারতা বৃদ্ধি পাবে অসহনীয় গরমে জনজীবনে অশান্তি দেখা দিবে, অনেক স্থানে গরমে মৃত্যুও ঘটতে পারে, ডায়রিয়াসহ অন্যান্য জীবানু সংক্রান্ত রোগে বহু প্রাণ নাশ যোগ বিদ্যমান। wW‡m¤^i মাসে বুধ ও মঙ্গল গ্রহের অশুভ অভাবে বড় ধরনের দূর্ঘটানায় জনামালের ক্ষতি হবে (wW‡m¤^i থেকে মার্চ মাসের মধ্যে) ১৬ই m‡Þ¤^‡ii পর ঘূর্ণিঝড়, প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও ভূমিকম্পনে তথা জলোচ্ছাসে জান মালের ক্ষতির আশংকা।
১৪১৫ বঙ্গাব্দে বাংলাদেশে বৃষ্টির পরিমান কম পরিলক্ষিত। কিন্তু বিদেশী পানির দ্বারা, পাহাড়ী ঢলে প্রথমে দেশের উত্তরাঞ্চলে তৎপর দেশের নিম্নাঞ্চল এলাকায় প্লাবিত হয়ে জনগনের দুঃখ দূর্দশা বৃদ্ধি পাবে।
বানিজ্য ঃ পূর্বের বৎসরের ন্যায় থাকবে, কিছুটা হ্রাস পেলেও তা বৈদেশিক বৃদ্ধি পাবে। এ বৎসর বহু মিল কারখানায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ্য হবে।
রাজনীতি ঃ প্রিয় পাঠক বিশেষ কারণ বশতঃ আমার লিখা নিষেধ বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।
সংস্কৃতিক অঙ্গন ঃ সুনাম বৃদ্ধি পাবে তৎসঙ্গে বিদেশে সমাদৃত হবে। ¯^bvga¨ কিছু সংস্কৃতি অঙ্গনের সঙ্গে জড়িতদের প্রাণহানী যোগ বিদ্যমান।
খেলাধুলা ঃ- ১৪১৫ বঙ্গাব্দ অশুভ।
সঠিক বিচার বিশ্লেষনে বুঝা যাচ্ছে যে এ বৎসর একাধিক খ্যাতিমান ব্যক্তির আকস্মিক মৃত্যু যোগ। বিশিষ্ট কিছু ব্যক্তির কথাবার্তায় সমালোচিত হবে।
নোট ঃ- নির্দিষ্ট কিছু তারিখ উল্লেখ করে দেওয়া হলো। উক্ত তারিখ সমূহে বিশ্বের সবাই সতর্ক থাকার চেষ্টা করেন।
১৭/৪/২০০৮-২৪/৫/২০০৮, ০৩/৫/২০০৮, ০৮/৫/২০০৮, ১৭/৫/২০০৮-২২/৫/২০০৮, ০২/৬/২০০৮-০৭/৬/২০০৮, ১৫/৬/২০০৮-২০/৬/২০০৮, ০২/৭/২০০৮-৬/৭/২০০৮, ১৭/৭/২০০৮-২১/৭/২০০৮, ৩০-৭-২০০৮-০৪-৮-২০০৮, ১৪-৮-২০০৮-১৯-৮-২০০৮, ২৮-৮-২০০৮-২-৯-২০০৮, ১৩-৯-২০০৮-১৮-৯-২০০৮, ২৭-৯-২০০৮-০২-১০-২০০৮, ১২-১০-২০০৮-১৭-১০-২০০৮, ২৬-১০-২০০৮-৩১-১০-২০০৮, ১১-১১-২০০৮-১৬-১১-২০০৮, ২৫-১১-২০০৮-৩০-১১-২০০৮, ১০-১২-২০০৮, ১৫-১২-২০০৮, ২৫-১২-২০০৮- ৩১-১২-২০০৮, ০৯-১-২০০৯-১৪-১-২০০৯, ২৪-১-২০০৯- ২৮-১-২০০৯,০৭-২-২০০৯-১২-২-২০০৯, ২৩-২-২০০৯-২৮-২-২০০৯,৯-৩-২০০৯-১৪-৩-২০০৯, ২৪-৩-২০০৯-২৯-৩-২০০৯, ৭-৪-২০০৯-১২-৪-২০০৯।
উল্লেখিত তারিখ সমূহের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, যানবাহন দূর্ঘটনা, জলোচ্ছস, ঘর্ণিঝড়, ভূ-কম্প, যুদ্ধ বিগ্রহ, অতিবৃষ্টি, খরা, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি সহ বহুবিধ অশুভ ঘটনার প্রভাব বৎসরের অন্যান্য তারিখ সমূহ অপেক্ষা বেশি বৃদ্ধি পাবে এবং মানুষ সহ জানমালের প্রচুর ক্ষতি যোগ দৃষ্ট। তৎসঙ্গে খ্যাতমান ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাও অসম্ভব নয়।
সূর্য ও চন্দ্র গ্রহন
১৪১৫ বঙ্গাব্দে ২ টি সূর্য ও একটি চন্দ্র গ্রহন হওয়ার কথা। ১লা আগষ্ট ২০০৮, শুক্রবার।
পূর্ণগ্রাস সূর্য গ্রহন বাংলাদেশে দৃশ্য হবে।
সূর্যগ্রহন স্পর্শ ১৪টা ৩মিঃ ২৯ সেকেন্ডে। গ্রহন শেষ হবে ১৮ টা ৩৮ মিঃ ৩১ সেকেন্ডে। গ্রহণ স্থিতী ৪ ঘন্টা ৩৫ মিঃ।
ঢাকা গ্রহন দৃশ্য ১৪টা ১৪ মিঃ ১৭ সেঃ
চট্রগ্রাম গ্রহন দৃশ্য ১৪টা ১২ মিঃ ২৭ সেঃ
রাজশাহী গ্রহন দৃশ্য ১৪টা ০৭ মিঃ ০৯ সেঃ
খুলনা গ্রহন দৃশ্য ১৪টা ০৬ মিঃ ৫১ সেঃ
কোলকাতা গ্রহন দৃশ্য ১৪টা ১৪মিঃ ২৩ সেঃ।
গ্রহনের গ্রাসমান ঃ ১.২৪০।
উত্তর আমেরিকার পূর্ভভাগে, গ্রীণল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, গোটা উত্তর ইউরোপ জাপান ব্যতীত এশিয়ায় দৃশ্য হবে।
১৬ই আগস্ট ২০০৮ শনিবার আংশিক গ্রাস চন্দ্র গ্রহন। বাংলাদেশে দৃশ্য। গ্রহন স্পর্শ রাত্রি ঘন্টা ০১টা ৩৭মিঃ (রাত ১২টার পর ১৭ই আগস্ট) রবিবার।
গ্রহন শেষ হবে রাত ০৩টা ১১ মিঃ। গ্রহন স্থিতী ৪ ঘন্টা ৪৭ মিঃ। গ্রহনের গ্রাসমান ০.৮১৭। এই গ্রহন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে দেখা যাবে। প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাংশে জাপানের উত্তরাঞ্চল ব্যতীত, রাশিয়ার উত্তর পূর্ব অংশে গ্রহন আরম্ভকাল সময় দৃশ্য হবে এবং প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিন পশ্চিমাংশে, দক্ষিন আমেরিকার উত্তর পূর্বভাগে আইসল্যান্ড এবং গ্রীনল্যান্ডে গ্রহন সমাপ্তি দেখা যাবে