সমস্ত সামাজিক নিয়মনীতি ব্যাপকভাবে প্রকৃতির সাথে সম্পর্কিত। আমাদের পূর্ব পুরুষরা মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যে একটা আশ্চর্যজনক সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছিলেন। তারা দেখেছিলেন, যে কোনও রকম প্রাকৃতিক পরিবর্তন মানুষের মধ্যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। বাস্তুশাস্ত্র তৈরিই হয়েছে প্রধানত প্রকৃতির কথা মাথায় রেখে। স্মরণাতীতকাল থেকেই ভূমি, পানি, অগ্নি, বায়ূ ও আকাশ এই পাঁচটিই প্রকৃতির উপাদান বলে পরিচিতি। প্রকৃতির সৃজনশীল ও ধ্বংসাত্মক শক্তিগুলো নিয়ন্ত্রণ করে পানি ও বায়ু। নিয়ন্ত্রণ হলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ যাতে প্রকৃতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে একাত্ম হয়ে আনন্দে জীবন কাটাতে পারে শাস্ত্রের উদ্দেশ্য হলো সেটাই। সুতরাং নিজ বাড়ী ফ্ল্যাট, অফিস, কারখানা নির্মাণ হওয়া উচিত বাস্তু বিজ্ঞানের ভিত্তিতে। ভাড়া বাড়ীর শুধুমাত্র আসবাবপত্র যথার্থস্থানে স্থাপন করলে ৭০-৮০% শুভ ফল প্রাপ্তি ঘটে। বাধাহীনভাবে প্রকৃতির কাছ থেকে সুনাম, সুখ্যাতি, যশ, গৌরব, অর্থ, প্রতিপত্তি, ব্যবসায় উন্নতি, নিরোগ দেহ, নিঃর্ঝঞ্জাট জীবন, অথনৈতিক উন্নয়ন সবই হতে পারে আপনার জীবনে শুধু প্রয়োজন বাস্তুনিয়ম জেনে মেনে চলা।
বাস্তুশাস্ত্র সম্পর্কীয় যে কোন দু’টি প্রশ্নের উত্তর ফোনের মাধ্যমে দেওয়া হয়।
|
- বাস্তু বিচারঃ বাড়ী, অফিস,
- কারখানা যে কোন একটি = ৩৫৫১.০০ টাকা।
- বাস্তুকর্তার স্থানে (ঢাকার মধ্যে) = ৭০০১.০০ টাকা।
|
| |
| বিঃ দ্রঃ বাস্তু সংশোধনে কোনকিছু ভাঙ্গতে হয় না। বাস্তুশাস্ত্রানুযায়ী ভূমি চয়ন, ভূমি ক্রয়, ভূমির দোষ উদ্ধার, শল্যদ্বার ও বাস্তু নির্মাণ সংক্রান্ত যে কোন প্রকার শান্তি বিধান করা হয়। বিশদভাবে জানতে হলে পড়ুন রাজ জাতক ড. হাসান কবির রচিত “বাস্তুসাহারা-১” গ্রন্থটি। যে কোন সমভ্রান্ত লাইব্রেরীতে পাবেন অথবা আমার ঠিকানায় যোগাযোগ করে সংগ্রহ করতে পারেন। বইটির মূল্য ২১.০০ টাকা। ডাক ব্যয় স্বতন্ত্র। |
| |
| |
বাংলাদেশ ভূ-খন্ডে জন্মগ্রহণকারীর পক্ষ থেকে বিশ্ব মানব সমাজের প্রতি কল্যাণময় প্রার্থনা জানাচ্ছি। |
| |
শান্তি লাভ হোক। |
| |
|
| |
|