|
| |
| |
বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বারের সামনে কোনও প্রকার বড় বৃক্ষ থাকা ঠিক নয়। এটি দ্বারভেদ সৃষ্টিকারী। যে গাছ দিয়ে সাদা আঠা বের হয়, যেমন- রবার বৃক্ষ, ছাতিম, মনসা, ক্যাকটাস, বনসাই ইত্যাদি, সেই গাছ বসানোও শুভ নয়। আবার কাঁটাওয়ালা গাছ, যেমন -ক্যাকটাস অশুভ। কিন্তু গোলাপ ব্যতিক্রম। আবার লতা ও বাহারি ফুলের গাছ এবং সীমানা প্রাচীরে বসানো চলবে। বড় রাস্তার ধারে যে সব বাড়ি আছে সেখানে বাড়ির বাইরে নিম ও অশোক বৃক্ষ লাগানো খুবই ভালো। নিম দূষণ ও পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করে। আর অশোক বৃক্ষ রক্ষা করে শব্দ দূষণ থেকে।
প্রতিটি বাড়িরই সীমানা প্রাচীর থাকে। প্রাচীন শাস্ত্র অনুসারে সীমানা প্রাচীরকে মজবুত করার জন্য সেখানে গাছ লাগাতে হবে। শুধু তাই নয়, বড় বড় পাথর গাছের চারপাশে সাজানোর কথাও বলা হয়েছে। সুতারাং, গাছপালা বাগান করার কথা বলে বাস্তব পরিবেশের সঙ্গে আমাদের এক চমৎকার বন্ধুত্ব গড়ে তোলার প্রস্তাবই করেছে। এই ব্যবস্থা দূষণ কমাতে শহরকে পরিস্কার ও সবুজ রাখার ক্ষেত্রে শুধু নয়, সমাজকেও সাহায্য করবে।
|
| |
দোকান ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:
যে কোনও ব্যবসা, তা সে একটি ভাড়ার দোকানঘর হোক অথবা একটি বা একাধিক দোকানঘর তৈরি করাই হোক বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা বাণিজ্যিক আবাসন গড়া হোক না কেন, সমৃদ্ধি, মুনাফা ও উন্নতির জন্য বাস্তুশাস্ত্রের সিদ্ধান্ত ও নিয়ম মেনে চলতে হবে। চললে সুফল পাওয়া যাবে। |
| |
| দোকান ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানঃ |
| |
- দোকান ঘরটির মুখ অর্থাৎ প্রধান প্রবেশদ্বার কোন দিকে, এটা দেখতে হবে। যদি উত্তর বা পূর্ব দিকে মুখ হয়, তা হলে সেই দোকান পশ্চিম বা দক্ষিণের চেয়ে ভাল হবে।
- দোকানঘরটি যদি উত্তর-পূর্বদিকে বেড়ে থাকে, তা হলে এ ধরনের দোকান থেকে অনেক বেশি মুনাফা ও সমৃদ্ধি পাওয়া যাবে।
- দোকান যদি দুই রাস্তার সংযোগস্থলে হয়, পূর্ব ও উত্তর দিকে রাস্তা থাকে, তা হলে ভাল।
- যদি বেখাপ্পা আকারের দোকানঘর হয় তা হলে কিছুতেই ওই দোকান নেওয়া উচিত নয়। ত্রিকোণ ও সিংহ আকারের দোকান সাধারণ মানের।
- দোকানঘরের সামনে অথব ঢোকার মুখে যেন কোনও রকমের বাধা, যেমন টেলিফোন বক্স, ইলেকট্রিক বক্স, ল্যাম্পপোস্ট, বড় গাছ ইত্যাদি না থাকে। প্রধান প্রবেশপথের ঠিক উলটো দিকে এইসব থাকলে তা দ্বারভেদ সৃষ্টি করে।
|
| |
| |
| |
|