একজন জ্যোতিষ ও বাস্তুশাস্ত্রবিদ একটি দেশের জন্য, দেশের নাগরীকদের কল্যাণের জন্য বহুপ্রকার অবদান রাখতে সক্ষম। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে রাষ্ট্রীয় জ্যোতিষ বা রাজজ্যোতিষ থাকেন। তিনি প্রধান মন্ত্রী থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের কর্ণধারকে প্রতিটি দিনের শুভাশুভ নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং তদানুযায়ী রাষ্ট্র প্রধানরা দৈনন্দিন ক্রীয়াকর্ম ও জাগতিক ক্রীয়াকর্ম শুরু ও শেষ করে থাকেন। পররাষ্ট্রনীতি, নতুন কোন চুক্তিসম্পাদন, বিভিন্ন মন্ত্রী ও কর্মকর্ত্তাদের রাষ্ট্রীয় কাজে বিদেশ ভ্রমণ, দেশের আভ্যন্তরীণ সকল প্রকার ঘটনাবলী পূর্ব থেকেই অবহিত করতে সক্ষম। এ ছাড়া ক্রীড়াঙ্গণে যেমন, ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, শুটিং সহ অন্যান্য খেলাধূলার ব্যাপারে একজন জ্যোতিষ ও বাস্তুশাস্ত্রবিদ বিশেষ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। কোন খেলোয়াড় সর্ব প্রথম ও ক্রমানুসারে ব্যাটিং করবেন এবং উক্ত দিনের কোন সময়ে খেলা শুরু করা উচিত অথবা খেলা শুরুর সময় যদি অশুভ তিথি, লগ্ন যোগ, বার, করণ থেকে থাকে তবে জ্যোতিষী তাহা শান্তি স্বস্ত্যয়ণ ক্রীয়া কর্মের মাধ্যমে অশুভ সময়কে কিছুটা হলেও শুভতে পরিণত করতে সক্ষম, (অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৮০ - ৯০% ই শুভতে পরিণত হয়) ফলশ্রুতিতে দলও জয়লাভ করতে সক্ষম হয়। শুটিং এর ক্ষেত্রেও ঠিক তদ্রুপ, ঈষাণ দিক ও কোণ, পশ্চিম-পূর্ব থেকে সুটিং শুরু করলে ফলাফল নিষ্ফল। দেশের অভ্যন্তরে ঝড়, বৃষ্টি, বৃষ্টির পরিমাণ, ভূমিকম্প, জলোচ্ছ্বাস, প্রাকৃতিক দূর্যোগ সম্পর্কে একজন জ্যোতিষই সঠিক ভাবে অভ্রান্ত গণনার মাধ্যমে রাষ্ট্র্রীয় ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। দেশের মধ্যে রাষ্ট্রীয় বিপ্লব, হরতাল, যানবাহন দূর্ঘটনা প্রতিরোধেও জ্যোতিষী বিশেষ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। জ্যোতিষ ও বাস্তুবিদ দেশকে বিদেশী আক্রমণ অথবা যুদ্ধের পূর্বে, যুদ্ধের সময় ও পরে বিশেষ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। একমাত্র বাস্তুবিদই শুভক্ষণে একটি দেশের ক্যান্টনমেন্ট, অস্ত্রাগার থেকে শুরু করে সেনাপ্রধান সহ ক্রমান্বয়ে কর্মকর্ত্তাদের বাসস্থানের দিক্ ও কোণ নির্দেশ করতে সক্ষম। পরাশক্তির আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে অপেক্ষাকৃত দূর্বল রাষ্ট্র যদি সেনা ব্যারাক, অস্ত্রাগার এবং যথার্থ স্থাপনা যথার্থ দিকে নির্মাণ করতে সক্ষম হয় তবে পরাশক্তিও দূর্বল রাষ্ট্রের কাছে পরাজিত হতে বাধ্য। তবে এক্ষেত্রে রাষ্ট্র প্রধান, সেনাপ্রধান এর সম্মতি যেমন প্রয়োজন তদ্রুপ প্রয়োজন জ্যোতিষ ও বাস্তুশাস্ত্রবিদের উপদেশ গ্রহণ করা। বাংলাদেশ দূর্নীতিতে কয়েকবার চ্যাম্পিয়ান হয়েছেন একথা বিশ্বব্যাপী সবাই জানেন, কিন্তু কেন যে দেশের বিবেকবান মানুষ এত দূর্নীতি করছেন একথা কিন্তু কেউ একবারও ভেবে দেখেছে কিনা এটা আমার সন্দেহ। বাংলাদেশের ভৌগলিক অবকাঠামো এমনই যে যাহা বাস্তুশাস্ত্র সম্মত নয়। (Please* Vastu Shastra and the universe click*) করুন এবং দেখুন বাংলাদেশ সহ চারটি দেশের সম্পর্কে আমার লিখা।) গোটা দেশকে যখন বাস'শাস্ত্র সম্মত ভাবে অর্থাৎ বাস' বিধান মতে সংশোধন করা হয় তবে (১) দেশে অপরাধ প্রবণতা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাবে। (২) ভূমিকম্প ও প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকে দেশ রক্ষা পাবে, (৩) হরতাল, ভাংচুর, তথা রাজনৈতিক অসি'রতা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেতে থাকবে, (৪) দেশের, মানুষের চিন্তা ও চেতনার উত্তোরত্তর সমৃদ্ধি ঘটবে, (৫) মিল-কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ হ্রাস পেয়ে অর্থনৈতিক ভাবে দেশের উন্নতি ও উপার্জন বৃদ্ধি পাবে, (৬) যে সকল মিল-কারখানা এখনও লোকসান গুণছেন সেই সকল মিল-কারখানায় লোকসান হ্রাস পেতে পেতে ক্রমান্বয়ে মুনাফার দিকে অগ্রসর হবে, (৭) দেশে তালাক প্রথা, পরকীয়া প্রেমে আসক্তি হ্রাস পাবে, (৮) যুব সমাজের মধ্যে চিন্তা চেতনার বৃদ্ধি পেয়ে তাঁরা রাষ্ট্রীয়, ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন, (৯) একটি দেশ বা একটি জাতীর বাস্তু কারেকশন বা সংশোধনের পর সে দেশের মানুষের ক্রমান্বয়ে সুখ সমৃদ্ধি, অর্থনৈতিক উন্নতি বৃদ্ধি পাবে। বিশ্বের বিজ্ঞানীরা বলেছেন যে আগামী পঞ্চাশ বৎসরের মধ্যে (আমার গণনায়- ৩২ বৎসরের মধ্যে) বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল সম্পূর্ণরূপে সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে, কিন্তু যদি গোটা দেশকে বাস্তুশাস্ত্র সম্মতভাবে সংশোধন করা যায় তবে গোটা বাংলাদেশকে উক্ত অশুভ প্রভাব থেকে রক্ষা করা সম্ভব। এখানে সম্পূর্ণ বাংলাদেশ বলতে শহর, নগর, বন্দর, জেলা শহর, কিছু কিছু উপজেলা শহর বাস্তু বিধান মতে সংশোধন করতে হবে। ঢাকা, চট্টগ্রাম এর মত বড় বড় মহানগরীগুলিতে যে ভাবে অপরিকল্পিতভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ হয়েছে, হচ্ছে (যদিও কোনটা বাস্তুশাস্ত্র বিধান মেনে করা হয় নাই) তাতে করে যে কোন সময় প্রাকৃতিক দূর্যোগে ভবন পতন সহ বহুপ্রাণ নাশ যোগ অদূর ভবিষ্যতে দেশের জন্য চরম বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। শুধুমাত্র নিজবাড়ী, অফিস, কারখানা নয়, শহর, নগর, বন্দর, রাষ্ট্রও বাস্তুশাস্ত্রের আওতাভূক্ত এই জন্য যে, সমগ্র পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে পঞ্চ উপাদানে, আর আমরা যদি সৃষ্টির পঞ্চ ভূ-তাত্বক ব্যবস্থানকে পিড়ীত করি তবে পরিণামে শান্তিস্থিতী আশা করা যায় না কেননা- Every creation is a vastu একজন জ্যোতিষ ও বাস্তুশাস্ত্রবিদ দেশের অর্থাৎ রাষ্ট্রের জন্য উল্লেখিত ভূমিকা ছাড়াও আরও অনেক প্রকার ভূমিকা রাখতে সক্ষম। বিশেষ কারন বশতঃ বিশেষতঃ নিরাপত্তা জনিত কারণের জন্য সব কিছু উল্লেখ করা হলো না।
সর্ব্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট দৃশ্যমান প্রাকৃতিক সম্পদের আপনার দ্বারা যেন কোন প্রকার ব্যত্যয় না ঘটে এই শুভকামনায় বাংলাদেশ ভূ-খন্ডে জন্ম গ্রহণকারীর পক্ষ থেকে বিশ্ব-মানব সভ্যতার কল্যাণময় প্রার্থনা জানাচ্ছি।
শান্তি লাভ করুন।
ড. হাসান কবির।
জ্যোতিষ, বাস্তুবিদ
রাজেশ্বরী কনসাল্টেসন লিমিটেড
ঢাকা, বাংলাদেশ
|